প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
কেরানীগঞ্জ ভূমি অফিসে দুদকের সরেজমিন তদন্ত, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি ||
ভূমি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশের পর কেরানীগঞ্জ মডেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড অফিসে সরেজমিন অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট টিম। তবে তদন্তে সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দুদক।জানা গেছে, গত ১১ জানুয়ারি আমার দেশ পত্রিকায় কেরানীগঞ্জ মডেল এসিল্যান্ড জান্নাতুল মাওয়া এবং তার অফিসের কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদের প্রেক্ষিতে সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে দুদকের সহকারী পরিচালক আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম কেরানীগঞ্জ মডেল এসিল্যান্ড অফিসে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে।তদন্ত চলাকালে দুদক টিম সংবাদে উল্লেখিত অভিযোগকারীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে অভিযোগের বিস্তারিত জানতে চায়। একইসঙ্গে অভিযুক্ত এসিল্যান্ড জান্নাতুল মাওয়ার কাছ থেকেও অভিযোগ সম্পর্কিত ব্যাখ্যা নেওয়া হয়। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে এবং প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে দুদক টিম অভিযোগের কোনো প্রমাণ পায়নি বলে জানায়।দুদক এনফোর্সমেন্ট টিমের প্রধান ও সহকারী পরিচালক আরিফুর রহমান বলেন, “আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে আমরা কেরানীগঞ্জ মডেল এসিল্যান্ড অফিসে তদন্তে এসেছি। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট একজনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তিনি আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন যে টাকা চাওয়ার বিষয়ে তার অভিযোগটি সত্য নয়।”তিনি আরও জানান, অভিযোগকারী বলেছেন—আমার দেশ পত্রিকার প্রতিবেদক কিংবা সুজন কেরানীগঞ্জ সম্পাদক কাওসার আহমেদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ হয়নি। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, এসিল্যান্ড বা তার অফিসের কোনো কর্মচারী তার কাছে কোনো টাকা দাবি করেননি।এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি ভূমি অফিসে সক্রিয় দালাল সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছেন। এতে একটি অসাধু চক্র ক্ষুব্ধ হয়ে তার এবং তার অফিসের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
প্রকাশক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ
কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত