প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
যেসব ভয়ানক কারণে বিএনপি নেতা মাস্তানকে গ্রেফতার করলো পুলিশ!
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বর জনবহুল এলাকায় অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা পরিচালনার অভিযোগে বিএনপি নেতা মো. ইমান উল্লাহ মাস্তানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিপজ্জনক পরিবেশে কারখানা পরিচালনা, শিশু শ্রমিক নিয়োগ এবং আইন অমান্যের অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইমান উল্লাহ মাস্তান অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর ধরে একটি ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা পরিচালনা করে আসছিলেন। ওই কারখানায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন শ্রমিক কাজ করতেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু শ্রমিকও ছিল। তাদের বয়স আনুমানিক ১০ থেকে ১২ বছর বলে জানা গেছে।একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে কারখানাটি বন্ধ ও সিলগালা করলেও, ইমান উল্লাহ মাস্তানসহ সংশ্লিষ্টরা পেশিশক্তির মাধ্যমে তা পুনরায় চালু করেন। তারা কৌশলে কারখানার গেট তালাবদ্ধ রেখে ভেতরে গোপনে বিপজ্জনক দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে কার্যক্রম চালিয়ে যেতেন।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কারখানাটিতে কোনো ধরনের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল না। যদিও সংশ্লিষ্টরা জানতেন যে যেকোনো সময় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে। অবহেলা ও আইন অমান্যের ফলেই সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে বহু শ্রমিক দগ্ধ হয়ে নিহত ও আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর অবস্থায় ঢাকার বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ঘটনার মূলহোতা হিসেবে মো. ইমান উল্লাহ মাস্তানকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তার নেতৃত্বেই অবৈধভাবে কারখানাটি পরিচালিত হচ্ছিল এবং শিশু শ্রমিক নিয়োগসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হয়।তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার, এবং ব্যবহৃত বিপজ্জনক দাহ্য পদার্থ উদ্ধার সম্ভব হতে পারে।
প্রকাশক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ
কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত