প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
বুলবুলের চিঠির উত্তরে যা বলল আইসিসি!
||
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অপসারিত সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে বিস্ময় প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। যে ব্যক্তি কিছুদিন আগেও বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির অনুরোধকে কার্যত অগ্রাহ্য করেছিলেন, সেই তিনিই এখন নিজের অবস্থান রক্ষায় বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থার হস্তক্ষেপ চাইছেন। এমন অবস্থানকে ‘দ্বিচারিতা’ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।বুলবুল এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা আইসিসিকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে আমাদের নির্বাচিত বোর্ডের বৈধতা রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছি। অ্যাডহক কমিটি অবৈধ। তদন্ত প্রতিবেদনও অবৈধ। ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবরের নির্বাচন একজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও একজন সিআইডি কর্মকর্তাসহ নিরপেক্ষ তিন সদস্যের কমিশন পরিচালনা করেছেন। এই নির্বাচনের বৈধতা কোনো সরকারি সংস্থা পরে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে না।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘২০২৬ সালের ৫ এপ্রিল জমা দেওয়া প্রতিবেদনটি ত্রুটিপূর্ণ, খামখেয়ালিপূর্ণ এবং আইনগতভাবে ভিত্তিহীন একটি দলিল। আইনের দৃষ্টিতে বা বিসিবির সংবিধানের আলোকে এর কোনো বৈধতা নেই।’বুলবুলের এই অবস্থানকে মারাত্মক স্ববিরোধিতায় ঘেরা বলে আখ্যা দিয়েছেন আইসিসির একজন বর্তমান পরিচালক। তিনি ক্রিকবাজকে বলেছেন, ‘এটা অবাক করার বিষয় যে একই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড — যারা আইসিসির সঙ্গে বাধ্যতামূলক সদস্যপদ চুক্তি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সদ্য সমাপ্ত আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার কারণ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশকে দেখিয়েছিল — এখন সেই সরকারের তদন্ত ও নির্দেশনা থেকে সুরক্ষার জন্য আইসিসি ও তার সংবিধানের আশ্রয় নিচ্ছে।’আইসিসির সঙ্গে অনলাইন বৈঠকে বুলবুলই ছিলেন সবচেয়ে কঠিন কর্মকর্তা। এক পর্যায়ে তিনি আলোচনা ছেড়ে বেরিয়ে যেতে পর্যন্ত রাজি হয়েছিলেন। পুরো বৈঠক ও অচলাবস্থায় তিনি বারবার সরকারি নির্দেশের কথা বলে ভারত থেকে ম্যাচ সরানো না হলে বিশ্বকাপে না খেলার অবস্থান আঁকড়ে ধরেছিলেন। বুলবুল এখন সরকারি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে আইসিসির কাছে সুরক্ষা চাইছেন। আইসিসির সূত্রগুলো বলছে, এই স্ববিরোধিতার কারণে বুলবুলের অভিযোগে আইসিসির সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই।
প্রকাশক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ
কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত