প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
আদালত ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে আহত ৫ বিচারপ্রার্থী
বাগেরহাট প্রতিনিধি ||
বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের বারান্দার ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে পাঁচ বিচারপ্রার্থী আহত হয়েছেন।সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে কচুয়া আদালতের এজলাস-সংলগ্ন বারান্দায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন—হাবিবুল্লাহ শেখ, তার বাবা মো. সিরাজ শেখ, সুমন দাস, হৃদয় হাওলাদার ও মোতালেব। তাদের সবার বাড়ি বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আদালতের বারান্দায় বিচারপ্রার্থীরা অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ ছাদের একটি অংশের পলেস্তারা ভেঙে নিচে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন আহত হন। পলেস্তারা খসে পড়ার পর ছাদের ভেতরের রডও দৃশ্যমান হয়ে পড়ে, যা ভবনটির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
আহত সুমন দাস ও হৃদয় হাওলাদার জানান, তারা আদালতের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা তাদের ওপর পড়ে। এতে দুজনের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং অন্যরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আহত হন।
বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার জানান, আহত পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনের মাথায় সেলাই দিতে হয়েছে। অন্যদের ঘাড়, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে। তবে সবাই বর্তমানে শঙ্কামুক্ত।
বাগেরহাট জেলা জজ আদালতের নাজির অমিত কুমার বলেন, ঘটনার পর বিষয়টি গণপূর্ত অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। তারা ভবনটি পরিদর্শন করে এটি ব্যবহারের উপযোগী কিনা, সে বিষয়ে প্রতিবেদন দেবে।
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এম এম মাহাবুব মোর্শেদ লালন বলেন, আদালতের নিচতলায়, যেখানে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের আদালত পরিচালিত হয়, সেই অংশের কচুয়া আদালতের সামনের বারান্দার ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও বলেন, তিনতলা বিশিষ্ট জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনটি অনেক পুরোনো। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং একাধিক স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ভবনটির জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রকাশক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ
কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত