প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামে বন্যার ক্ষতচিহ্ন: ১৬ মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৮ লাখ মানুষ
ঢাকার কণ্ঠ ডেস্ক ||
সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ ও বন্যায় চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ হাজার ২২৮টি বসতবাড়ি, ৪০৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রায় ১ হাজার ৪৯২ কিলোমিটার সড়ক এবং ১৬৯টি সেতু-কালভার্ট। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী ও সন্দ্বীপ উপজেলা।চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বন্যায় মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা প্লাবিত হয়। এতে ৯ হাজার ২০৮টি বসতবাড়ি আংশিক এবং ৬ হাজার ২০টি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি ৪০৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ১ হাজার ৪৯২ কিলোমিটার সড়ক এবং ১৬৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ দুর্যোগে মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ৪০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করে এবং ২৪৫টি মেডিকেল টিম গঠন করে। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া সব মানুষ ইতোমধ্যে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন।চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানান, জেলায় ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল, ৯৫ লাখ টাকা নগদ, শিশু খাদ্যের জন্য ৪ লাখ টাকা, গোখাদ্যের জন্য ১০ লাখ টাকা, ১ হাজার বান্ডিল ঢেউটিন এবং গৃহনির্মাণের জন্য ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।এর মধ্যে ১ হাজার ৮০ মেট্রিক টন চাল, ৮৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ৪৬ হাজার ১০০ প্যাকেট শুকনো খাবার, শিশু খাদ্যের জন্য ৪ লাখ টাকা এবং গোখাদ্যের জন্য ১০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বর্তমানে ১২০ মেট্রিক টন চাল, ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকা, ১ হাজার ৪৫ বান্ডিল ঢেউটিন এবং গৃহনির্মাণের জন্য ৩০ লাখ টাকা মজুত রয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৮ ও ১৯ জুলাই হালকা থেকে মাঝারি এবং ২০ থেকে ২২ জুলাই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ
কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত