প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রায় ঘোষণার পরপরই সুপ্রিম কোর্টে ককটেল বিস্ফোরণ
ঢাকার কণ্ঠ ডেস্ক ||
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৮ মিনিটের দিকে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথের সামনে এ বিস্ফোরণ ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে দ্রুত সরে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে শনাক্ত করা যায়নি।ঘটনার পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। তবে বিস্ফোরণে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।এর কিছুক্ষণ আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে এর আগেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বিচারিক এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। অতীতেও নাশকতার আশঙ্কায় সুপ্রিম কোর্ট, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছিল।
ককটেল বিস্ফোরণের পর আদালত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়। তবে ঘটনাটির সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রকাশক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ
কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত