প্রিন্ট এর তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
গাজার ধ্বংসযজ্ঞের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ||
ফিলিস্তিনের গাজায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র তুলে ধরতে যুদ্ধের আগের ও পরের স্যাটেলাইট ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। পাশাপাশি গাজার বাসিন্দাদের জন্য জরুরি মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। রোববার (৪ অক্টোবর) দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে জোলি গাজার বিভিন্ন এলাকার গুগল আর্থের স্যাটেলাইট ছবি তুলে ধরেন। ছবিগুলোতে যুদ্ধের আগে ও পরের অবস্থার পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গাজার অনেক আবাসিক এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং মানুষের টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। জোলি বলেন, ঘরবাড়ির পাশাপাশি স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, সড়ক, পানি ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি গুগল আর্থে ধ্বংসের চিত্র অত্যন্ত স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন। পোস্টে জোলি জানান, গাজার প্রায় ১৯ লাখ ৮০ হাজার মানুষ, অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯৪ শতাংশের মানবিক সহায়তা ও আশ্রয়ের প্রয়োজন রয়েছে। শীত ঘনিয়ে আসার আগে মানুষের জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানোর ওপর জোর দেন তিনি। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি বেসামরিক মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় মাত্রায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর আহ্বান জানান জোলি। তিনি আরও বলেন, গাজার মানুষকে নিজেদের ঘর, স্কুল, হাসপাতাল ও অন্যান্য স্থাপনা পুনর্গঠনের সুযোগ দিতে হবে। এদিকে, গাজার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে জাতিসংঘের স্যাটেলাইট মূল্যায়নেও ব্যাপক ধ্বংসের চিত্র উঠে এসেছে। জোলির উদ্ধৃত তথ্য অনুযায়ী, ১৬ জুন পর্যন্ত গাজার প্রায় ৮২ শতাংশ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি দীর্ঘদিন ধরে শরণার্থী ও মানবিক সংকট নিয়ে কাজ করছেন। তিনি ২০২২ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে শুভেচ্ছাদূত ও বিশেষ দূত হিসেবে যুক্ত ছিলেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতেও তিনি মিসরের রাফাহ সীমান্ত এলাকায় গিয়ে গাজায় মানবিক সহায়তার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
প্রকাশক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ
কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত