প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
মানবতার সেবায় ২৭ বছর
অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ||
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ১৯৯৯ সালে চিন্তা করলেন, তাঁর বাবার নামে একটি ফাউন্ডেশন করবেন। নাম হবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। সেই সময় তাঁর মূল উদ্দেশ্যই ছিল রাজনীতিকে রাজনীতির স্থানে রেখে, রাজনীতির বাইরে সাধারণ মানুষের জন্য কী করা যায়, সে উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পদযাত্রা শুরু। তিনি প্রথমে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার দিঘুলিয়ায় একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প করেন। এই মেডিক্যাল ক্যাম্পের মাধ্যমে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তী পর্যায়ে তিনি চিন্তা করলেন-এ দেশের সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করতে হলে তাদেরকে আর্থিকভাবে উন্নয়ন করতে হবে।এ সময় তিনি সারা দেশের তৃণমূলের সংগঠন গোছাচ্ছিলেন। সারা দেশে তৃণমূল সমাবেশ করতেন। সেই সমাবেশের সময় পাশাপাশি তিনি প্রত্যেকটি জেলার প্রান্তিক মানুষকে হাঁস, মুরগি, গাছের চারা, গরু, ছাগল প্রভৃতি উপকরণ দিতেন। তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল-এর মাধ্যমে ওই ব্যক্তির আর্থিকভাবে উন্নতি সাধন হবে, সামাজিকভাবে সচ্ছল হবে এবং এর মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক চাকা সচল হবে। এই প্রকল্প যে খুব একটা বড় ছিল তা কিন্তু নয়। তাঁর এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যই ছিল মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা। তাঁর এই কর্মকাণ্ড দেখে দেখে অন্যরাও যাতে একই ধরনের কাজ করতে পারে এবং বাস্তবে তাই-ই দেখা গেছে। তিনি যখন থেকে হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগল-এগুলো দেয়া শুরু করলেন তখন অন্যান্য জায়গায় যেখানে আমাদের জেডআরএফ নেই, সেখানে মানুষ একই কায়দায় প্রান্তিক মানুষকে দান করতেন। এইভাবে তাঁর কর্মকাণ্ড চলতে থাকে। এই ফাউন্ডেশনের প্রথম যে কমিটি হয়েছিল সেখানে তিনিই একমাত্র নন- ডাক্তার; বাকি ২১ জন ডাক্তার নিয়ে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়। এই যাত্রা বিরামহীন চলতে থাকে।অসচ্ছল মেধাবীদের পাশে তারেক রহমানের নির্দেশে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে ২০০৫ সালে চালু হয় বৃত্তি প্রদান প্রকল্প। আর্থিকভাবে অসচ্ছল অথচ মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ধরে রাখতে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সহায়তা করা হয়। ২০০৫ সালে ঢাকার এলজিইডি ভবনে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে এই বৃত্তি প্রদান শুরু করা হয়। পরবর্তীকালে রাজনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে কিছুদিন কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও পরবর্তীতে এটি আরও বিস্তৃত পরিবারের মধ্যে চালু করা হয়। ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট জনাব তারেক রহমান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানের দিক-নির্দেশনায় পুনরায় ২০২৩ সালে সারাদেশের মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক আন্দোলন ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপি নেতাকর্মীদের ১৯ জন সন্তানকে শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান করা হয়।অসহায় মানুষের স্বাস্থ্য সেবায়দেশের যে কোনো দুর্যোগ সংকটকালে ও জরুরি অবস্থায় জেডআরএফ নিয়মিত ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প আয়োজন করে থাকে। এসব ক্যাম্পে রোগীদের সুচিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ দেওয়া হয়। খুলনার রূপসা, ঢাকার যাত্রাবাড়ী, কড়াইল বস্তি, গাজীপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও বগুড়ায় সম্প্রতি এসব সেবা প্রদান করা হয়। বিশেষ করে যারা নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ থেকে বঞ্চিত তাদের কাছে এই ক্যাম্পগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন-এর প্রেসিডেন্ট জনাব তারেক রহমান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানের পরামর্শে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান বগুড়ায় নিজ বাড়িতে স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প করা হয়। গত বছর ১৮ অক্টোবর ফাউন্ডেশন-এর ২৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সেই স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্পে প্রায় ৭ হাজার রোগী সেবা গ্রহণ করেন। ফাউন্ডেশনের চিকিৎসক এবং সদস্যরা সুবিশাল স্বাস্থ্য শিবিরের কাজ, অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন করেন। শীতের কারণে ঠান্ডাসহ চোখে আক্রান্ত মানুষকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ঢাকার কাকরাইল বস্তিতে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প আয়োজন করা হয়। সিলেটে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন করে সেবা প্রদান করা হয় কয়েক হাজার রোগীকে।স্বাভাবিক জীবনে ঠোঁটকাটা রোগীজননেতা তারেক রহমানের আগ্রহে একটি বিশেষ উদ্যোগ হিসাবে জেডআরএফ জার্মান বিশেষজ্ঞ সার্জনদের সহযোগিতায় বগুড়া, খুলনা এবং গাইবান্ধায় প্লাস্টিক ও রিকন্সট্রাকটিভ সার্জারি ক্যাম্প আয়োজন করে। এই ক্যাম্পগুলোতে প্রায় ৪৫০ জন ঠোঁটকাটা, তালুকাটা ও পোড়া রোগীকে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার করা হয়। আর্থিক অভাব বা চিকিৎসা সুবিধার অভাবে সার্জারি করতে না পারলেও এসব ক্যাম্পের মাধ্যমে অনেকেই নতুন জীবন ফিরে পেয়েছেন। এখনও বিভিন্ন জেলায় এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।অ্যাজমা রোগীদের সেবাবাংলাদেশের প্রায় ৭০ লাখ মানুষ অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত। এটি ২০০৩ সালের সরকারি হিসাবের ধারণা। একটি মাত্র সমন্বিত অ্যাজমা সেন্টারে এমন রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত সেবা পাওয়া কঠিন। এই প্রয়োজন অনুভব করে মানবিক তারেক রহমানের দিক-নির্দেশনায় ২০০৩ সালে বগুড়া এবং ২০০৪ সালের চট্টগ্রামে অ্যাজমা সেন্টার প্রতিষ্ঠা করে। বগুড়ায় প্রায় ৫,৮৭১ জন এবং চট্টগ্রামে ৩ ১১৯ জন রোগী সফল চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন। বর্তমানে এই সেবা চলমান রয়েছে।কৃত্রিম অঙ্গ প্রতিস্থাপনমানবতার সেবক তারেক রহমানের দিক-নির্দেশনা ও তাঁর সার্বিক তত্ত্বাবধানে গণতান্ত্রিক আন্দোলন বা দুর্ঘটনার কারণে যারা হাত, পা হারিয়েছেন তাদের জন্য জেডআরএফ কৃত্রিম অঙ্গ প্রতিস্থাপন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই এ সহযোগিতা চলছে এবং বহু মানুষ এর মাধ্যমে নতুন করে চলাফেরা ও কর্মজীবনে ফিরতে সক্ষম হয়েছেন। পাশাপাশি জেডআরএফ শহীদ পরিবার, নিখোঁজ বা নির্যাতিত পরিবারের পাশে থেকেছে এবং সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে।বিশুদ্ধ কমল পানি সরবরাহ ঢাকার দাসের কান্দি এলাকার মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানির সমস্যাটি দীর্ঘদিনের। সেখানে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে পানি দূষণ মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছায়। তারেক রহমানের নির্দেশে এই সমস্যার সমাধানে জেডআরএফ বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির সহযোগিতায় কমল (শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ডাক নাম কমল সেই হিসাবে এই পানির নাম রাখা হয়েছে) পানি প্রকল্পটি চালু করে। প্রায় ১২০টি পরিবার এই প্রকল্পের আওতায় বিশুদ্ধ পানির সুবিধা পাচ্ছে। পাশাপাশি এখানে আরও ১৬০টি পরিবার ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করছে। এই উদ্যোগ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রেখে চলেছে।করোনাকালে সেবামহামারি করোনাকালে মানুষ যখন জীবনের ভয়ে গৃহবন্দী তখন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের চিকিৎসক, কৃষিবিদসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়েছেন অক্সিজেন সিলিন্ডার, প্রাইভেট মেডিকেল পিপিই, ওষুধসামগ্রী। আবার যারা অনেকটাই গৃহবন্দী তাদের জন্য চালু করা হয় হটলাইন স্বাস্থ্যসেবা।দুর্যোগ দুর্বিপাকে জেডআরএফতারেক রহমানের নির্দেশে ২০২৪ সালে ফেনীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা, জুলাই আন্দোলনের সময় আহতদের চিকিৎসা সেবা, মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে দক্ষ ছাত্র শিক্ষকদের সহায়তা, দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ, ডেঙ্গু ও অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, হৃদরোগ প্রতিরোধক প্রচারণা, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ঈদ উপহার ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান-এ সবের মধ্যে কিছু সাম্প্রতিক কার্যক্রম এখন তুলে ধরা হচ্ছে।ভেটেরিনারি মেডিক্যাল ক্যাম্পতারেক রহমানের দিক-নির্দেশনায় দেশব্যাপী ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিক্যাল ক্যাম্প আয়োজন করেছে ফাউন্ডেশন। এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ আগস্ট ২০২৫ জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ময়মনসিংহ জেলার সুতিয়াখালী গ্রামের জহির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। ক্যাম্পে গ্রামের কৃষকের গবাদি পশুকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান করা হয়। চট্টগ্রাম বাঁশখালীতে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ১৫ নভেম্বর ২০২৫। এছাড়াও ৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় অনুরূপ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি কৃষকদের মাঝে এডাব্লিউডি কিট বিতরণ করা হয়।পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিযত্রতত্র ময়লা আবর্জনা এবং পলিথিন ফেলে রাখার কারণে আমাদের স্বাস্থ্যহানি ঘটে এ বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করেন ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। এইসব ময়লা- আবর্জনা গবাদি পশুর পেটে চলে যাওয়ার ফলে তাদের মধ্যে নানা ধরনের ক্ষতিকারক জীবাণুর অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে এবং সেই মাংস মানব স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। এজন্য তার নির্দেশে ফেনী, খুলনাসহ আরও বেশ কয়েক জায়গায় পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন করা হয়।আইডিয়া ফেস্ট ২০২৫ মিনি হ্যাকাথনবৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অভিপ্রায় তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ’ শিরোনামে আইডিয়া ফেস্ট ২০২৫ মিনি হ্যাকাথন’ তোমাদের ক্যাম্পে ক্যাম্পাসে শীর্ষক কর্মসূচি গ্রহণ করে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। বাংলাদেশ নানা সমস্যায় জর্জরিত। এসব সংকট মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে তরুণদের। ফলে তাদের দক্ষ ও যোগ্য হিসাবে গড়ে তুলতেই ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ অর্থাৎ তরুণরা যেন দেশের সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের পথ নির্মাণ করতে পারে। এই আইডিয়া ফেস্ট’র মূল লক্ষ্যই সেটি। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. জুবাইদা রহমানের নির্দেশে এই ট্যালেন্ট হান্ট বা মিনি হ্যাকাথনের আয়োজন করা হয়। পরবর্তীকালে এই সকল তরুণদের নিয়ে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর দিনে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মানবিক উদ্যোগে যুক্ত জেডআরএফ দেশের সীমানা পেরিয়ে জেডআরএফ আন্তর্জাতিকভাবে মানবিক উদ্যোগেও যুক্ত হয়েছে। তুরস্কের ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায়জেডআরএফের সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি টিম ঢাকাস্থ তুরস্ক দূতাবাসে কম্বল হস্তান্তর করে।পরিশেষে বলা যায়, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছরের যাত্রা মূলত মানব কল্যাণ, সহমর্মিতা, উন্নয়ন ও সেবার ইতিহাস। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি, কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা, দুর্যোগ পরিস্থিতি এবং মানবিকতার প্রতিটি ক্ষেত্রেই ফাউন্ডেশন বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছে। মানবতার প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ এই সংগঠন ভবিষ্যতেও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাবে। আরও বড় পরিসরে চলতে থাকবে আর্তমানবতার সেবা। মানবতাবাদী গুণে গুণান্বিত একজন তারেক রহমান যখন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট তখন অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই এর কর্মকাণ্ড বিস্তার লাভ করবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ শহরের সকল জনসাধারণের জন্য ক্রমেই এই ফাউন্ডেশন তার কার্যক্রম বাড়িয়ে চলবে। বিভিন্ন পেশার প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্বের সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস টিমের মানব সেবার তীব্র আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে জনবান্ধব এই সকল কর্মসূচি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও চলবে। আজ এই শুভদিনে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে নিবেদন- তিনি যেন আমাদের প্রাণপ্রিয় প্রেসিডেন্ট জনাব তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য অক্ষুণ্ণ রাখেন। আমরা জেডআরএফ-এর সকল সদস্য তারেক রহমানের মানবতাবাদী এই প্রতিষ্ঠানকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। তারেক রহমানের মানবতার দর্শনকে দেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দিতে আমরা নিয়োজিত রয়েছি।লেখক: নির্বাহী পরিচালক, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন।
প্রকাশক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ
কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত