ঢাকার কণ্ঠ

সরকারি দিবস পালনে নতুন নির্দেশনা, কমাতে হবে আয়োজনের ব্যয়

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্‌যাপন এবং পালনের ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয় কমানো ও দাপ্তরিক কাজে বিঘ্ন এড়াতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। রোববার (১১ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত পরিপত্র প্রকাশ করে। এতে আগের ১১ মার্চ জারি করা পরিপত্র বাতিলের কথা বলা হয়েছে।নতুন নির্দেশনায় জাতীয় পর্যায়ের উৎসব ছাড়া সাধারণভাবে দিবস পালনের ক্ষেত্রে সাজসজ্জা ও বড় ধরনের বিচিত্রানুষ্ঠান যথাসম্ভব পরিহার করতে বলা হয়েছে। রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা এবং সীমিত পরিসরে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে।কর্মদিবসে সমাবেশ ও শোভাযাত্রা আয়োজন এড়িয়ে চলার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। কোনো সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানসূচি সাধারণভাবে তিন দিনের মধ্যে সীমিত রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মসূচির কারণে যেন অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে হবে। যেসব সাধারণ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য নগদ অর্থ বা উপকরণ ব্যয়ের প্রয়োজন নেই, সেগুলো ছুটির দিন কিংবা কর্মদিবসে আয়োজন করা যাবে।কোনো দিবস বা সপ্তাহ পালনের জন্য রাজধানীর বাইরে কিংবা জেলা পর্যায় থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঢাকায় আনা যথাসম্ভব পরিহার করতে বলা হয়েছে। এতে যাতায়াত ও আয়োজনসংক্রান্ত সরকারি ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে একই ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের ক্ষেত্রেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দিবসগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক দিবসকে প্রাধান্য দিয়ে একই তারিখে একসঙ্গে পালন করতে হবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ বিষয়ে সারসংক্ষেপ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে বলা হয়েছে।পরিপত্রে এসব সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

সরকারি দিবস পালনে নতুন নির্দেশনা, কমাতে হবে আয়োজনের ব্যয়