ঢাকার কণ্ঠ
সর্বশেষ

বাংলাদেশ

ভিডিও সব ভিডিও

কেরানীগঞ্জের কণ্ঠকেরানীগঞ্জের কণ্ঠ

কেরানীগঞ্জে পুলিশের সোর্স দ্বারা কিশোরী গণধর্ষণের শিকার, থানায় মামলা

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সাগর নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। তিনি পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক কিশোরীর মা তাসলিমা বেগম বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কালীগঞ্জের কৈবর্ত্যপাড়া এলাকার ১২ ও ১৪ বছর বয়সী প্রতিবেশী দুই কিশোরী নিখোঁজ হয়। পরে তাদের একজনের মা থানায় নিখোঁজের বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৬ অক্টোবর কিশোরী দুজন তাদের নানাবাড়িতে ফিরে এলে তাঁদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়ে পরিবার জানতে পারে। তাঁদের অভিযোগ, কালীগঞ্জ বাজারের হারুন মিয়ার মার্কেটের ষষ্ঠ তলায় সাগরের পরিচালিত একটি নাচের স্কুলে তাঁদের আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়।পরিবারের খোঁজ পাওয়ার আশঙ্কায় সাগর ও লামিয়া তাঁদের রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যান বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে তাঁদের আটকে রেখে সাগরসহ আরও কয়েকজন পালাক্রমে ধর্ষণ করেন বলে মামলার অভিযোগ। একপর্যায়ে কিশোরী দুজন অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাঁদের ফেলে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।পরে কিশোরী দুজন বসুন্ধরা এলাকা থেকে কেরানীগঞ্জে ফেরার পথে সাগর তাঁদের আবারও ধরে নিয়ে যেতে পারেন এমন আশঙ্কায় কদমতলী এলাকায় না নেমে বিক্রমপুরে তাঁদের নানাবাড়িতে চলে যান। সেখানে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।চিকিৎসা শেষে মঙ্গলবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় সাগর ও লামিয়ার নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করা হয়।দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর হোসেন জানান, মামলা দায়েরের পর সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে। অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাগরের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।মামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যায় না।

কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় আগুন: নিহত বেড়ে ২

ঢাকার কেরানীগঞ্জের নারিকেলবাগ এলাকায় প্লাস্টিকের খেলনা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন মানিক আহমেদ (৪৫) মারা গেছেন।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুইজনে।মানিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার। তিনি জানান, অগ্নিকাণ্ডে মানিকের শরীরের শতভাগ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।এর আগে, সোমবার দুপুরে কেরানীগঞ্জের নারিকেলবাগ এলাকায় আমান প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লাগে। এ ঘটনায় সাকিব হাসান (১৮) নামে এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। আগুনে আরও দুজন শ্রমিক দগ্ধ হন। তাঁদের মধ্যে মানিকের অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক।ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে আটটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে দুপুর ২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, কারখানায় খেলনা তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কেরানীগঞ্জে ইলেকট্রিশিয়ান শাহ আলমের ইশারায় ১১–১২ তলা ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযোগ!

কেরানীগঞ্জে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪-এর শুভাঢ্যা জোনাল অফিসকে ঘিরে বিদ্যুৎ সংযোগ কার্যক্রমে অনিয়ম, গ্রাহক হয়রানি ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রাম ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে পরিচিত শাহ আলমের মাধ্যমে কদমতলী খালপাড় সড়কের পাশে একাধিক ১১ থেকে ১২ তলা ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ করা হচ্ছে। এসব সংযোগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন ও কারিগরি শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।অভিযোগ রয়েছে, শুভাঢ্যা জোনাল অফিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ম্যানেজ করে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে বিভিন্ন ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ বাগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে মিটার সংযোগের কথা বলে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে শাহ আলমের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, কদমতলী খালপাড় সড়কের পাশে একাধিক বহুতল ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে বা সংযোগের কাজ চলছে। এসব ভবনে অনুমোদিত লোড, প্রয়োজনীয় কারিগরি যাচাই, বৈদ্যুতিক নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সংযোগ প্রদানের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।অভিযোগের বিষয়ে গ্রাম ইলেকট্রিশিয়ান শাহ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ১১ থেকে ১২ তলা ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ চলার কথা স্বীকার করেছেন বলে প্রতিবেদক জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এসব কাজের সুবিধা তিনি একা ভোগ করেন না; বিদ্যুৎ অফিসকে ম্যানেজ করেই কাজগুলো করা হয়।অভিযোগের ব‍্যাপারে ইলেকটিশিয়ান শাহ আলমের সাথে যোগাযোগ করলে নিজের অপকর্মের কথা শিকার করে বলেন, এভাবেই ১১ থেকে ১২ তলা বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ চলছে। আমি একা সুবিধা ভোগ করিনা, বিদ্যুৎ অফিসকে ম‍্যানেজ করেই করি। এ বিষয়ে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪-এর জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) গোলাম কাউসার তালুকদার জানান, ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন পত্র ছাড়া ১১-১২ তলা ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া নিয়ম নেই। শুভাঢ্যা বিদ্যুৎ অফিসের কোন কর্মকর্তা যদি অনিয়ম করে ১১ এবং ১২ তলা বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে থাকে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। বহিরাগত ইলেকট্রিশিয়ান শাহ আলম অথবা যে হোক না কেন তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।দ্বিতীয় পর্ব: যেভাবে বহুতল ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগে অনিয়মের সাম্রাজ্য চালাচ্ছেন শাহ আলম!

কেরানীগঞ্জে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, ১৭ দিন পর স্বামী গ্রেপ্তার

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্ত্রী শাহনাজ আক্তারকে হত্যার ঘটনায় তাঁর স্বামী মো. আহসান উল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।পুলিশ জানায়, গত ৮ অক্টোবর রাত ১০টা থেকে ৯ অক্টোবর সকাল ৯টার মধ্যে কোনো এক সময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া পশ্চিমপাড়া নাজিরেরবাগ এলাকায় নিজেদের বাড়ির শয়নকক্ষে শাহনাজ আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।মামলার তদন্তে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হয়। পরে রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার ভুলতা গাউছিয়া এলাকার আমবাগ থেকে আহসান উল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আহসান উল্লাহ হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। পরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।নিহত শাহনাজ আক্তার (৩৩) বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ জাদুয়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। গ্রেপ্তার আহসান উল্লাহর বয়স ৪০ বছর।

কেরানীগঞ্জে ডিবির পৃথক অভিযান, ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ৪

ঢাকার কেরানীগঞ্জে পৃথক অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১২ গ্রাম হেরোইনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ)।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আহম্মদ আলী টুকু (৪৫), মো. মিলন ঢালী (৪৪), মো. আবছার উদ্দিন (২১) ও সাইফুল ইসলাম (২২)।গত রোববার (২৫ অক্টোবর) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ঘাটারচর এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকা থেকে আহম্মদ আলী টুকু ও মো. মিলন ঢালীকে ৬ গ্রাম করে মোট ১২ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করা হয়।একই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ঘাটারচর এলাকায় মনু লাবনী পয়েন্টসংলগ্ন এম ই ফুড গ্যালারী অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে অভিযান চালিয়ে মো. আবছার উদ্দিন ও সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে যথাক্রমে ১ হাজার ৬০০ ও ১ হাজার পিসসহ মোট ২ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।ঢাকা জেলা ডিবি দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ আশফাক রাগীব হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের দুটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, দগ্ধ শ্রমিকের অবস্থা সংকটাপন্ন

কেরানীগঞ্জের নারিকেল বাগ এলাকায় আমান প্লাস্টিক কারখানায় আগুনে মো. মানিক (৪৫) নামে এক ব্যক্তি দগ্ধ হয়েছেন। তাঁর শরীরের ১০০ শতাংশ পুড়ে গেছে। বর্তমানে তিনি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় মানিককে উদ্ধার করে দুপুর ১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে।জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, কেরানীগঞ্জ থেকে দুপুর ১টার দিকে দগ্ধ একজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাঁর শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক।তিনি আরও জানান, মানিককে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।কারখানায় আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।

চুরি নাকি ‘কন্ট্রাক্ট কিলিং' কেরানীগঞ্জে ডালিয়া হত্যার রহস্য!

ঢাকার কেরানীগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ও যুব মহিলা লীগ নেত্রী ডালিয়া আক্তার (৪৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। চুরি করতে গিয়ে চিনে ফেলার কারণে তাকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। তবে পুলিশের এই দাবি মানতে নারাজ নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, এটি কোনো সাধারণ চুরির ঘটনা নয়; বরং কুয়েত প্রবাসী এক ব্যক্তির ভাড়াটে খুনি (কন্ট্রাক্ট কিলার) দিয়ে ঘটানো একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। রোববার (২৫ অক্টোবর) ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. তরিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. অনিক (১৯), মো. আশিক (২৩) ও মো. আলমগীর হোসেন (৩৬)। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. তরিকুল ইসলাম জানায়, গত ২৩ অক্টোবর সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর রসুলপুর বাজার এলাকার একটি ফ্ল্যাটে চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে আসামিরা। ওই সময় ফ্ল্যাটে একা থাকা ডালিয়া আক্তার বিষয়টি টের পেয়ে বাধা দেন। আসামিরা তার পূর্বপরিচিত হওয়ায় ধরা পড়ার ভয়ে প্রথমে তাকে ছুরিকাঘাত করে এবং পরবর্তীতে গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে আশিক ও আলমগীরকে এবং পরে অনিককে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল আলামত হিসেবে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বোরকা ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২৪ অক্টোবর নিহতের পরিবার বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে পুলিশের এই বক্তব্যকে পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, ডালিয়া আক্তারকে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।নিহতের ভাই এসএম জামাল শিকদার ও মেয়ে লিজা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, কুয়েত প্রবাসী বিল্লাল নামে এক ব্যক্তি কন্ট্রাক্ট কিলার ভাড়া করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। বিল্লালই এই হত্যাকাণ্ডের মূল মাস্টারমাইন্ড। চুরির ঘটনা সাজিয়ে আসল অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন তারা। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকা মূল পরিকল্পনাকারীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।নিহত ডালিয়া আক্তার বাস্তা ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি এবং চর বাঘাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন। হত্যাকাণ্ডটি কি নিছক চুরির উদ্দেশ্যে তাৎক্ষণিক খুন নাকি প্রবাসী কোনো শত্রুর জের ধরে সুপরিকল্পিত কিলিং মিশন রিমান্ডে আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমেই আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার।

কেরানীগঞ্জে ট্রাক ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নারী আরোহীর মৃত্যু চালক শঙ্কায়

কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ মহাসড়কে পোস্তগোলা ব্রিজের ঢাল দিয়ে নামার সময় মোটরসাইকেল ও ছয় চাকার একটি ট্রাকের সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী আহত এবং পেছনে থাকা এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। ‌মাওয়া হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গতকাল শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১২ টায় এ সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের জানায়, দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক ও পেছনে বসা নারী গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই বাইকের আরোহী নারী সদস্য মারা যায়।  এবং মোটরসাইকেল চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। খবর অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ সময় উত্তেজিত জনতা ট্রাকের এক সহকারীকে মারধর করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখেন বলে জানা গেছে।পরে রাত আনুমানিক ১টার দিকে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ চালান। আহত ব্যক্তি ও মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয়, তাঁদের সর্বশেষ অবস্থা এবং দুর্ঘটনার সঠিক কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কেরানীগঞ্জে চুরি করতে গিয়ে যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ও যুব মহিলা লীগ নেত্রী ডালিয়া আক্তারকে গলা কেটে হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. আশিক (২৩), মো. আলমগীর হোসেন (৩৬) ও মো. অনিক (১৯)।এদিকে গ্রেপ্তার তিন আসামির বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে।ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপস্) মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।রোববার (২৫ অক্টোবর) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৩ অক্টোবর সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরের রসুলপুর বাজার এলাকার একটি ফ্ল্যাটে চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে আসামিরা। এ সময় ফ্ল্যাটে থাকা ডালিয়া আক্তার (৪৫) বিষয়টি টের পেয়ে বাধা দিলে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে।পুলিশ জানায়, হত্যার পর আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলের পাশের সিসিটিভি ফুটেজ, গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়।তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে মো. আশিক ও মো. আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাদের দেওয়া তথ্য ও জিজ্ঞাসাবাদে মো. অনিকের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেলে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বোরকা ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন সকালে চুরির উদ্দেশ্যে আসামিরা ডালিয়া আক্তারের বাসায় প্রবেশ করে। এ সময় ডালিয়া তাদের দেখে ফেললে নিজেদের রক্ষা করতে তাঁকে গলা কেটে হত্যা করে। পরে আসামিরা পালিয়ে যায়।নিহত ডালিয়া আক্তার বাস্তা ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি এবং চর বাঘাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন।এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি ২৪ অক্টোবর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় দায়ের করা হয়। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

৫ আগস্ট ২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
অতিরিক্ত বিল নিয়ে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাচ্ছে, বিদ্যুৎ বিভাগের এ বক্তব্যের সঙ্গে আপনিও কি একমত?

অতিরিক্ত বিল নিয়ে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাচ্ছে, বিদ্যুৎ বিভাগের এ বক্তব্যের সঙ্গে আপনিও কি একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৩ জন
১

কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রী হত্যায় আসামি গ্রেপ্তার

২

রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামী জাকিরকে নিয়ে যে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্ত্রী!

৩

শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যে ক্ষমা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী

৪

কেরানীগঞ্জে ছাত্রলীগের চার নেতা গ্রেপ্তার

৫

কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুন: মাস্তান রিমান্ডে, প্রধান দুই আসামি কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে?

৬

কেরানীগঞ্জে ডিবির পৃথক অভিযান, ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ৪

৭

কেরানীগঞ্জে ‘আব্বা’ ডাকতে বলার জেরে বন্ধুকে খুন!

৮

ঢাকা দক্ষিণ পেশাজীবী দলের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

৯

ঢাকার উত্তর বাড্ডায় বাড়ির মালিকের অবহেলায় প্রাণ গেলে একই পরিবারের তিনজনের

১০

কর্তব্যে অবহেলায় কেরানীগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল ক্লোজ

জনপ্রিয় সব খবর
১

ফেল করেও অপেক্ষা নয়, এক মাসের মধ্যেই আবার পরীক্ষার সুযোগ!

২

এইচএসসিতে পাসের হার তলানিতে, ফেল প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী!

৩

রূপপুরে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

৪

ইতিহাসের বৃহত্তম ক্রিপ্টো হ্যাকিং, বাইন্যান্স থেকে ৬৩০ কোটি ডলার উধাও

৫

কিংবদন্তি প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের মৃত্যুতে হলিউডে শোকের ছায়া

৬

ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ, ১০৬ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শেষ

৭

মাছ ধরতে গিয়ে আর ফেরা হলো না, পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু

৮

হামের প্রাদুর্ভাব থামছেই না, ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু

৯

শুক্রবার মানেই সুরের আবেশ: আইসিসিবিতে শুরু হলো ৮ সপ্তাহের সংগীত উৎসব

১০

সুদ ও জামানত ছাড়াই ৩০ লাখ টাকা বিতরণ করল বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন

সর্বশেষ সব খবর

জাতীয়

ফেল করেও অপেক্ষা নয়, এক মাসের মধ্যেই আবার পরীক্ষার সুযোগ!

ফেল করেও অপেক্ষা নয়, এক মাসের মধ্যেই আবার পরীক্ষার সুযোগ!

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগের কথা জানিয়েছে সরকার। এসব শিক্ষার্থীকে এক মাসের মধ্যে শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধনকালে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনও উপস্থিত ছিলেন।সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, এবারের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী। নতুন সুযোগ কার্যকর হলে তাদের দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা না করেই অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে সাধারণত পরবর্তী বছরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলো অথবা চাইলে সব বিষয়ে আবার পরীক্ষা দিতে পারেন।তবে এক বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে পুরো এক বছর অপেক্ষা করতে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন পিছিয়ে যায়। পাশাপাশি তৈরি হয় বাড়তি মানসিক চাপ। নতুন উদ্যোগের ফলে এ সমস্যা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।এদিকে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।

এইচএসসিতে পাসের হার তলানিতে, ফেল প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী!

এইচএসসিতে পাসের হার তলানিতে, ফেল প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী!

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।শনিবার (৩১ অক্টোবর) ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।এবার অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী। গত বছর পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। গত বছর ৬৯ হাজার ৯৭ জন জিপিএ-৫ পেলেও এবার পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। অর্থাৎ এবার শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি। অন্যদিকে, শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৩৯টি।৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। এ ক্ষেত্রে পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন।ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।

রূপপুরে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

রূপপুরে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৩ মিনিটে পাওয়ার স্টার্ট-আপের মাধ্যমে চুল্লির (রিঅ্যাক্টর) ভেতরে চাপ ও তাপমাত্রা বাড়িয়ে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়।নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. জাহেদুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, ‘বি’ স্টেজের কাজ সফলভাবে শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) অনুমোদন নিয়ে আজ দুপুর ১২টা ৩ মিনিটে এ ধাপের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বর্তমানে চুল্লিতে ধারাবাহিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চাপ বাড়ানোর কাজ চলছে।কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘সি’ স্টেজে পৌঁছানোর পর রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে। এর মাধ্যমে বাষ্প উৎপন্ন করে টারবাইন চালানো এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।তবে এর অর্থ এই নয় যে, আজই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। বিভিন্ন ধাপে সফলভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে পদ্মার তীরে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এখানে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর রয়েছে। দুটি ইউনিট পুরোপুরি চালু হলে জাতীয় গ্রিডে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।

অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগে খুলনায় প্রত্যাহার ২৮ পুলিশ সদস্য

অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগে খুলনায় প্রত্যাহার ২৮ পুলিশ সদস্য

বেতন-ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগে খুলনা রেঞ্জের বিভিন্ন থানা ও ইউনিটে কর্মরত ২৮ পুলিশ সদস্যকে একযোগে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া সদস্যদের মধ্যে বাবুর্চি থেকে শুরু করে উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য রয়েছেন।শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন থানা এবং ইউনিটের সদস্যদের এ তালিকায় রাখা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে থানা ছাড়াও ট্রাফিক ও গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত সদস্য রয়েছেন।অভিযোগ রয়েছে, এসব সদস্য বিভিন্ন ইউনিটে ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং বেতন-ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করতেন। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম বলেন, দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে বাহিনীর ভেতরে শুদ্ধি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

 রাজনীতি রাজনীতি

দুই মন্ত্রীর পদত্যাগসহ চার দাবিতে শাহবাগে এনসিপির সমাবেশ

দুই মন্ত্রীর পদত্যাগসহ চার দাবিতে শাহবাগে এনসিপির সমাবেশ

রাজধানীর শাহবাগে চার দফা দাবি আদায়ে গণবিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি শুরু হয়।কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। এ ছাড়া দলের কেন্দ্রীয় ও রাজনৈতিক পর্ষদের নেতারাও এতে অংশ নেন।এনসিপির চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ; একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন; মানবাধিকার ও বাক্‌স্বাধীনতাবিরোধী আইন বাতিল এবং সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী পাস না করা। পাশাপাশি জুলাই গণহত্যার বিচার সম্পন্ন করে রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিও জানিয়েছে দলটি।এর আগে ২৩ অক্টোবর নাহিদ ইসলাম শাহবাগে ৩০ অক্টোবর গণবিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। সেদিনের ঘোষণায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্য ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির বিষয়গুলোও কর্মসূচির কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল। তবে কর্মসূচির আগাম ঘোষণা এবং শুক্রবারের বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দাবির সংখ্যা ও কিছু বিবরণে পার্থক্য পাওয়া গেছে। বাংলা ট্রিবিউনের আগাম প্রতিবেদনে পাঁচ দফার কথা উল্লেখ থাকলেও কর্মসূচি শুরুর দিনের একাধিক প্রতিবেদনে চার দফার কথা বলা হয়েছে। 

২১ ঘন্টা আগে

 বিনোদন বিনোদন

কিংবদন্তি প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের মৃত্যুতে হলিউডে শোকের ছায়া

কিংবদন্তি প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের মৃত্যুতে হলিউডে শোকের ছায়া

‘স্টার ট্রেক’ ও ‘এক্স-মেন’ তারকা স্যার প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন সহকর্মী ও ভক্তরা। দীর্ঘদিনের বন্ধু ইয়ান ম্যাককেলেন তাঁকে নিজের প্রজন্মের সবচেয়ে সম্মানিত ও প্রিয় অভিনেতা হিসেবে অভিহিত করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।ব্রিটিশ অভিনেতা স্যার প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের মৃত্যুতে শোকের বার্তা জানিয়েছেন হলিউড ও মঞ্চের সহকর্মীরা। তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সহ-অভিনেতা স্যার ইয়ান ম্যাককেলেন শোক প্রকাশ করে বলেছেন, প্যাট্রিক ছিলেন তাঁর প্রজন্মের সবচেয়ে সম্মানিত ও ভালোবাসার অভিনেতাদের একজন।‘স্টার ট্রেক’ সিরিজে ক্যাপ্টেন জ্যাঁ-লুক পিকার্ড এবং ‘এক্স-ম্যান’ চলচ্চিত্রে অধ্যাপক চার্লস জেভিয়ারের চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেতা বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ বাড়িতে মারা যান। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, আলঝেইমারস রোগ ও লিউই বডি ডিমেনশিয়ার সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কিন্তু কঠিন লড়াইয়ের পর তাঁর মৃত্যু হয়েছে। খবরটি প্রকাশ্যে আসে বৃহস্পতিবার।‘তিনি ছিলেন নির্ভরতা ও ভালোবাসার মানুষ’ম্যাককেলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া শোকবার্তায় প্যাট্রিকের ইয়র্কশায়ার পরিচয় ও ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, প্যাট্রিকের কথাবার্তা, কণ্ঠস্বর এবং নিজের অনুভূতি ও মতামত স্পষ্টভাবে প্রকাশের মধ্য দিয়ে তাঁর জন্মভূমির বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠত।ম্যাককেলেন স্মরণ করেন, একসময় প্যাট্রিককে কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক টেলিভিশন সিরিজে অভিনয় না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা ছিল, হলিউডে দীর্ঘদিন কাজ করতে গিয়ে প্যাট্রিকের যুক্তরাজ্যের মঞ্চনাটকের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।কিন্তু প্যাট্রিক সেই ঝুঁকি নিয়েছিলেন। ম্যাককেলেনের ভাষ্য, সেই সিদ্ধান্তের ফলে শুধু ‘স্টার ট্রেক’-এর ভক্তরাই নন, চলচ্চিত্র ও মঞ্চনাটকের দর্শকরাও অসাধারণ এক শিল্পীর অভিনয় উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন।শেক্‌সপিয়র, হেনরিক ইবসেন, আর্থার মিলার, হ্যারল্ড পিন্টার ও স্যামুয়েল বেকেটের মতো নাট্যকারদের রচনায় অভিনয়ের মাধ্যমে মঞ্চেও নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন স্টুয়ার্ট। স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-অ্যাভন, লন্ডনের ওয়েস্ট এন্ড ও ব্রডওয়েতে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে।‘তাঁকে ছাড়া পৃথিবী অনেক দরিদ্র হয়ে যাবে’প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের আরেক দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও বন্ধু অভিনেত্রী হ্যারিয়েট ওয়াল্টারও শোক প্রকাশ করেছেন। বিবিসি নিউজ নাইটকে তিনি বলেন, প্যাট্রিককে ছাড়া পৃথিবী কেমন হবে, তা কল্পনা করাও তাঁর জন্য কঠিন।ওয়াল্টারের ভাষায়, বনে একটি বিশাল গাছ পড়ে যাওয়ার মতোই শূন্যতা তৈরি হয়েছে তাঁর মৃত্যুতে। তিনি আরও বলেন, প্যাট্রিককে নিয়ে কখনো কারও কাছ থেকে খারাপ কথা শোনেননি; তাঁকে ছাড়া পৃথিবী অনেক দরিদ্র হয়ে যাবে।১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকে স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-অ্যাভনে তাঁদের পরিচয় ও বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল।শাতনার ও হিউ জ্যাকম্যানের শোকমূল ‘স্টার ট্রেক’ সিরিজে ক্যাপ্টেন জেমস টি কার্ক চরিত্রে অভিনয় করা উইলিয়াম শাতনারও প্যাট্রিকের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন। তিনি প্যাট্রিককে বন্ধু, সহকর্মী ও অসাধারণ অভিনেতা হিসেবে স্মরণ করেন।শাতনারের মতে, মঞ্চ থেকে মহাকাশযান এন্টারপ্রাইজের কমান্ড ব্রিজ—সব জায়গাতেই প্যাট্রিক বুদ্ধিমত্তা, সৌজন্য ও মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন। ক্যাপ্টেন পিকার্ড চরিত্রের মধ্য দিয়ে তিনি যে মূল্যবোধ তুলে ধরেছেন, ব্যক্তিজীবনেও তার প্রতিফলন ছিল বলে মন্তব্য করেন শাতনার।‘এক্স-ম্যান’ চলচ্চিত্রে প্যাট্রিকের সহ-অভিনেতা হিউ জ্যাকম্যানও ইনস্টাগ্রামে তাঁদের একসঙ্গে তোলা দুটি ছবি প্রকাশ করে শোক জানিয়েছেন। তিনি প্যাট্রিককে মঞ্চ ও পর্দার অন্যতম সেরা শিল্পী এবং অসাধারণ বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন।মার্ভেলের শ্রদ্ধা‘এক্স-ম্যান’ চলচ্চিত্রের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মার্ভেল স্টুডিওস প্যাট্রিক স্টুয়ার্টকে অসাধারণ প্রতিভাবান ও প্রকৃত অর্থেই ভদ্রলোক হিসেবে অভিহিত করেছে।প্রতিষ্ঠানটির বিবৃতিতে বলা হয়, প্যাট্রিক তাঁর অভিনয়ের মাধ্যমে অধ্যাপক চার্লস জেভিয়ার চরিত্রকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। ‘এক্স-ম্যান’, ‘লোগান’ থেকে শুরু করে আসন্ন ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’—বিভিন্ন চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় প্রজন্মের পর প্রজন্ম দর্শকের মনে চরিত্রটিকে জীবন্ত করে রেখেছে।মৃত্যুর আগে অভিনীত তাঁর শেষ চলচ্চিত্র ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ আগামী ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।স্যার প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের সাত দশকের অভিনয়জীবনে মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র—সব ক্ষেত্রেই ছিল সমান বিচরণ। ক্যাপ্টেন পিকার্ড ও অধ্যাপক জেভিয়ারের মতো চরিত্র তাঁকে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি দিলেও শেক্‌সপিয়রীয় নাটকে তাঁর অভিনয়ও তাঁকে স্বতন্ত্র মর্যাদা এনে দেয়। তাঁর মৃত্যুতে সেই দীর্ঘ অভিনয়জীবনের সহকর্মী ও দর্শকদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।

১৮ ঘন্টা আগে

 সারাদেশ সারাদেশ

মাছ ধরতে গিয়ে আর ফেরা হলো না, পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু

মাছ ধরতে গিয়ে আর ফেরা হলো না, পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু

পাবনা সদর উপজেলায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকার সোনাপাতি বিলে এ ঘটনা ঘটে।মালঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন বাবু জানান, বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে কয়েকজন একটি পলিথিনের তৈরি মাচাং ঘরে আশ্রয় নেন। সেখানেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতরা কিশোর ও তরুণ বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।আহত তিনজনকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে।

পাবনায় হার ইজারা নিয়ে গোলাগুলি, বিএনপির দুই নেতা নিহত

পাবনায় হার ইজারা নিয়ে গোলাগুলি, বিএনপির দুই নেতা নিহত

পাবনার আতাইকুলায় হাটের ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপির দুই নেতা নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।ঘটনার বিস্তারিত, নিহতদের পরিচয় এবং গোলাগুলির কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।বিস্তারিত আসছে…

প্রকাশ্যে গুলি করে ব্যবসায়ী নেতাকে হত্যাচেষ্টা!

রাজবাড়ী জেলা শহরের পান্না চত্বর এলাকায় প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বানিবহ বাজার ব্যবসায়ী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন লিটন (৩৫)।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।আমির হোসেন লিটন রাজবাড়ী সদর উপজেলার বানিবহ এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আবুল হাশেম।আহত লিটনের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি রিকশায় করে রাজবাড়ীর কাপড় বাজারে যাচ্ছিলেন। পান্না চত্বর পার হওয়ার পর একটি অটোরিকশা তাঁদের রিকশাকে অতিক্রম করে। ওই অটোরিকশায় থাকা দুই ব্যক্তি তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রথম গুলিতে আহত হওয়ার পর সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকে লক্ষ্য করে আরও গুলি করা হয়।লিটন অভিযোগ করেন, হামলাকারীদের মধ্যে সালেহ আহমেদ সুজন ও ইনসান নামের দুজন ছিলেন। তাঁদের একজনের মুখে মাস্ক পরা ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের তদন্তের ফল এখনো জানা যায়নি।ঘটনার সময় আশপাশের লোকজন দুই থেকে তিন রাউন্ড গুলির শব্দ শুনেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ব্যস্ত এলাকায় দিনের বেলায় এ ধরনের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।আমির হোসেন লিটন বলেন, ঘটনাস্থলের আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। ফুটেজ সংগ্রহ করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হামলাকারীদের শনাক্ত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, এর আগে সালেহ আহমেদ সুজনের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রকাশ্যে গুলি করে ব্যবসায়ী নেতাকে হত্যাচেষ্টা!

অনিশ্চিত ছিল এসএসসি, শুভর পাশে দাঁড়াল এবিজি ফাউন্ডেশন

অভাবের কারণে যেন ঝরে না পড়ে শিক্ষাজীবন, পূরণ হয় স্বপ্ন এমন প্রত্যাশা নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী তাসলিম আহমেদ শুভ। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতায় প্রায় দুই বছরের স্কুলের বেতন, পরীক্ষার ফি ও নিবন্ধন ফি বকেয়া পড়ে যাওয়ায় তার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছিল অনিশ্চয়তা। শেষ পর্যন্ত তার শিক্ষাজীবন সচল রাখতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এবিজি (আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ) ফাউন্ডেশন।গাজীপুরের পাজুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা শুভর পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস তার বাবার পরিশ্রম। জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি স্থানীয় ডেইরি ফার্ম থেকে দুধ কিনে বাজারে বিক্রি করেন। পাশাপাশি অন্যের জমিতে কৃষিকাজ করেও সংসারের খরচ জোগান। সীমিত আয়ে পরিবারের নিত্যপ্রয়োজন মেটানোর পর ছেলের পড়াশোনার ব্যয় বহন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল।অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন শুভ। গত চার বছর ধরে বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তির আওতায় প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে পেয়ে আসছেন তিনি। এই অর্থ তার শিক্ষার ব্যয় মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করেছে।তবে এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালোভাবে সম্পন্ন করতে কোচিংয়ে ভর্তি হওয়ার পর পরিবারের আর্থিক চাপ আরও বেড়ে যায়। শিক্ষাবৃত্তির টাকা দিয়ে কোচিংয়ের মাসিক বেতন পরিশোধ করলেও স্কুলের জমে থাকা বকেয়া, পরীক্ষার ফি ও এসএসসি পরীক্ষার নিবন্ধন ফি দেওয়ার মতো অর্থ পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছিল না। এতে তার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।শুভর এই সংকটের কথা জানতে পেরে তার শিক্ষাজীবন নির্বিঘ্ন রাখতে এগিয়ে আসে এবিজি ফাউন্ডেশন। গত রোববার গাজীপুর মহানগরের চাপুলিয়ায় অবস্থিত মফিজ উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ে শুভর প্রায় দুই বছরের বকেয়া বেতন, পরীক্ষার ফি, এসএসসি পরীক্ষার নিবন্ধন ফিসহ অন্যান্য বকেয়া পরিশোধের জন্য অনুদান দেওয়া হয়।এ উপলক্ষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আসমা আক্তার, শিক্ষার্থী তাসলিম আহমেদ শুভ ও তার মা নাছিমা বেগমের হাতে এবিজি ফাউন্ডেশনের অনুদানের চেক তুলে দেন কালের কণ্ঠের স্টাফ ফটোসাংবাদিক লুৎফর রহমান।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আসমা আক্তার বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করছে। এই সহযোগিতার ফলে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবন এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। পাশাপাশি এবিজি ফাউন্ডেশনের এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।এদিকে আর্থিক সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শুভর মা নাছিমা বেগম। তিনি এবিজি ফাউন্ডেশন ও বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি ধন্যবাদ জানান।আর্থিক সংকটের কারণে যে শিক্ষাজীবন থমকে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, এবিজি ফাউন্ডেশনের সহায়তায় সেই বাধা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছেন শুভ। তার মতো অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ পড়াশোনা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণেও আশার আলো দেখায়।

অনিশ্চিত ছিল এসএসসি, শুভর পাশে দাঁড়াল এবিজি ফাউন্ডেশন

মেরিন ড্রাইভে উচ্ছেদ আতঙ্ক, সমন্বিত উদ্যোগ চান রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্ট মালিকরা

কক্সবাজারের বৃহত্তর মেরিন ড্রাইভ সড়কের পর্যটন ব্যবসার নিরাপত্তা, উদ্যোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণ এবং বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রিসোর্ট, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট মালিকসহ বিভিন্ন পর্যটন ব্যবসায়ী। একই সঙ্গে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) উচ্ছেদ নোটিশে উদ্বেগ প্রকাশ করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান দাবি করেছেন তাঁরা।রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীরা এসব দাবি তুলে ধরেন।সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীরা বলেন, সম্প্রতি টুপটুপ রিসোর্টের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তাঁরা গভীরভাবে ব্যথিত ও শোকাহত। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ ও আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।তাঁরা বলেন, আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান করে মেরিন ড্রাইভ সড়কে ব্যবসা-বিনিয়োগের নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। কারণ, এ অঞ্চলের পর্যটন খাতের সঙ্গে হাজার হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, হোটেল-রেস্টুরেন্টের কর্মচারী, পরিবহনশ্রমিক ও সাধারণ মানুষের জীবিকা জড়িত। পর্যটন খাতে সংকট তৈরি হলে এর প্রভাব পড়ে পুরো স্থানীয় অর্থনীতিতে। তাঁদের ভাষায়, “পর্যটন বাঁচলে কক্সবাজার বাঁচবে, আর কক্সবাজার বাঁচলে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।”লাইসেন্স ও অনুমোদন পেতে ভোগান্তির অভিযোগব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, নতুন ব্যবসা শুরু করতে ট্রেড লাইসেন্স, পরিবেশগত ছাড়পত্র, ফায়ার লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও কাগজপত্র সম্পর্কে সঠিক তথ্য সহজে পাওয়া যায় না। কোন ব্যবসার জন্য কী কী নথি প্রয়োজন, সরকারি ফি কত এবং কত দিনের মধ্যে অনুমোদন পাওয়া যাবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনার অভাব রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গেলে এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে যেতে হয় বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।তবে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়, ব্যবসার জমিসহ অন্যান্য বিষয় বৈধ ও কাগজপত্র সঠিক থাকলে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর কেন বৈধতা বা প্রয়োজনীয় অনুমোদন দিতে অপারগতা প্রকাশ করছে? এ প্রশ্নের সুস্পষ্ট জবাব দিতে পারেননি ব্যবসায়ীরা।তাঁরা আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা কর, ভ্যাট, লাইসেন্স ফি ও অন্যান্য প্রযোজ্য সরকারি রাজস্ব দিয়ে থাকেন। অথচ প্রয়োজনীয় অনুমোদন, প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমন্বিত সহযোগিতার ঘাটতি রয়েছে।‘সহায়তা ডেস্ক’ ও ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের দাবিপর্যটন ব্যবসায়ীদের হয়রানি কমাতে একটি বিশেষ ‘সহায়তা ডেস্ক’ চালুর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এই ডেস্ক থেকে একজন উদ্যোক্তা যেন এক জায়গায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, অনুমোদনের প্রক্রিয়া, সরকারি ফি ও নির্ধারিত সময়সীমা সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে পারেন।পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর সেবা এক ছাতার নিচে আনতে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুরও দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।কউকের উচ্ছেদ নোটিশে আতঙ্কঅন্যদিকে, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) পক্ষ থেকে আবাসিক হোটেল ও খাবার হোটেল উচ্ছেদের নোটিশ এবং তিন দিনের সময়সীমা দেওয়ায় উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছেন বলে জানান ব্যবসায়ীরা।তাঁদের দাবি, হঠাৎ উচ্ছেদের মতো সিদ্ধান্ত না নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদনসংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।পাঁচ হাজার মানুষের জীবিকা নিয়ে উদ্বেগব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক এলাকায় প্রায় ৫০০টি রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের জীবিকা জড়িত। পর্যটন ব্যবসায় যেকোনো ধরনের ধাক্কা শুধু মালিকদের নয়, বাবুর্চি, ওয়েটার, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ভ্যানচালক ও বাজারের সরবরাহকারীদেরও ক্ষতিগ্রস্ত করে।তাই নতুন কোনো নিয়ম, নিরাপত্তাব্যবস্থা বা বিধিনিষেধ কার্যকর করার আগে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় সভা আয়োজনের দাবি জানান তাঁরা। পাশাপাশি সরকারি জরিপের মাধ্যমে পর্যটন খাতে নিয়োজিত শ্রমজীবী মানুষের সঠিক তথ্যভান্ডার (ডাটাবেজ) তৈরি করে সংকটকালীন সময়ে তাঁদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।ব্যবসায়ীদের মতে, পর্যটন খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ তৈরি করা—দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগই পারে মেরিন ড্রাইভের পর্যটন খাতকে আরও সুশৃঙ্খল ও টেকসই করতে।

মেরিন ড্রাইভে উচ্ছেদ আতঙ্ক, সমন্বিত উদ্যোগ চান রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্ট মালিকরা

কেরানীগঞ্জে চুরি করতে গিয়ে যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ও যুব মহিলা লীগ নেত্রী ডালিয়া আক্তারকে গলা কেটে হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. আশিক (২৩), মো. আলমগীর হোসেন (৩৬) ও মো. অনিক (১৯)।এদিকে গ্রেপ্তার তিন আসামির বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে।ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপস্) মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।রোববার (২৫ অক্টোবর) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৩ অক্টোবর সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরের রসুলপুর বাজার এলাকার একটি ফ্ল্যাটে চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে আসামিরা। এ সময় ফ্ল্যাটে থাকা ডালিয়া আক্তার (৪৫) বিষয়টি টের পেয়ে বাধা দিলে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে।পুলিশ জানায়, হত্যার পর আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলের পাশের সিসিটিভি ফুটেজ, গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়।তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে মো. আশিক ও মো. আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাদের দেওয়া তথ্য ও জিজ্ঞাসাবাদে মো. অনিকের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেলে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বোরকা ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন সকালে চুরির উদ্দেশ্যে আসামিরা ডালিয়া আক্তারের বাসায় প্রবেশ করে। এ সময় ডালিয়া তাদের দেখে ফেললে নিজেদের রক্ষা করতে তাঁকে গলা কেটে হত্যা করে। পরে আসামিরা পালিয়ে যায়।নিহত ডালিয়া আক্তার বাস্তা ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি এবং চর বাঘাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন।এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি ২৪ অক্টোবর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় দায়ের করা হয়। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কেরানীগঞ্জে চুরি করতে গিয়ে যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

আন্তর্জাতিক

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

লাইফ স্টাইল

পদোন্নতি নেই, কাজের চাপ বেশি? চাকরি বদলানোর আগে যা ভাববেন

পদোন্নতি নেই, কাজের চাপ বেশি? চাকরি বদলানোর আগে যা ভাববেন

কর্মজীবনে সফল হতে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন কাজ করাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন দক্ষতা বৃদ্ধি, সঠিক সিদ্ধান্ত এবং উন্নতির সুযোগ কাজে লাগানো। কখন বর্তমান চাকরিতে থাকা উচিত, আর কখন নতুন প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার কথা ভাবা দরকার—তা বুঝতে পারা ক্যারিয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।সরকারি ও বেসরকারি চাকরির কর্মপরিবেশ, সুযোগ-সুবিধা এবং পদোন্নতির ধরন ভিন্ন হতে পারে। তাই চাকরি বদলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের লক্ষ্য, যোগ্যতা ও আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করা জরুরি।১. পদোন্নতি ও বেতন বৃদ্ধির সুযোগ নেইদীর্ঘদিন কাজ করার পরও যদি পদোন্নতি, বেতন বৃদ্ধি কিংবা নতুন দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগ না থাকে, তাহলে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবুন। প্রথমে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে উন্নতির সম্ভাবনা জানার চেষ্টা করুন। এরপরও পরিবর্তন না এলে অন্য প্রতিষ্ঠানে সুযোগ খুঁজতে পারেন।২. অতিরিক্ত কাজের চাপ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশকাজের চাপ যখন ব্যক্তিগত জীবন, বিশ্রাম ও মানসিক স্বস্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, তখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। নিয়মিত অযৌক্তিক দায়িত্ব চাপানো, অপমানজনক আচরণ কিংবা কর্মীদের অসম্মান করার মতো পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদে পেশাগত জীবনে সমস্যা তৈরি করতে পারে। আলোচনা করেও সমাধান না হলে বিকল্প কর্মক্ষেত্র বিবেচনা করুন।৩. আরও ভালো সুযোগ পাওয়াঅন্য প্রতিষ্ঠানে ভালো বেতন, উন্নত কর্মপরিবেশ, নতুন দক্ষতা অর্জন কিংবা পদোন্নতির সুযোগ থাকলে সেটি বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে শুধু বেতন নয়, কাজের সময়, দায়িত্ব, প্রতিষ্ঠানের স্থিতিশীলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নতির সম্ভাবনাও যাচাই করুন।৪. নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বাড়ানোবর্তমান চাকরিতে অর্জিত অভিজ্ঞতা, সফল প্রকল্প ও বিশেষ দক্ষতাগুলো চিহ্নিত করুন। নতুন পদের চাহিদার সঙ্গে নিজের যোগ্যতার মিল যাচাই করুন। প্রয়োজন হলে প্রশিক্ষণ নিয়ে কিংবা নতুন প্রযুক্তি শিখে নিজেকে প্রস্তুত করুন।৫. পেশাগত যোগাযোগ বাড়ানোলিংকডইনে প্রোফাইল হালনাগাদ রাখুন এবং সংশ্লিষ্ট খাতের পেশাজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখুন। কর্মশালা, সেমিনার ও পেশাগত অনুষ্ঠানে অংশ নিলে নতুন চাকরির সুযোগ সম্পর্কে জানার সম্ভাবনা বাড়তে পারে।৬. নতুন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরিস্থিতি যাচাইচাকরি বদলানোর আগে নতুন প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশ, বেতন কাঠামো, দায়িত্ব ও উন্নতির সুযোগ সম্পর্কে খোঁজ নিন। বছরের নির্দিষ্ট সময়ে নিয়োগ বাড়বে এমন ধারণার ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট খাতের প্রকৃত নিয়োগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করুন।৭. সিভি ও ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি নিনসিভিতে প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা, অর্জন ও দক্ষতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরুন। পদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কভার লেটার তৈরি করুন। ইন্টারভিউয়ের আগে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানুন এবং নিজের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য তুলে ধরার প্রস্তুতি নিন।চাকরি ছাড়ার আগে যে বিষয়গুলো নিশ্চিত করবেননতুন চাকরির লিখিত নিয়োগপত্র নিশ্চিত করুন। বেতন, যোগদানের তারিখ, দায়িত্ব ও অন্যান্য শর্ত ভালোভাবে যাচাই না করে বর্তমান চাকরিতে পদত্যাগ করা উচিত নয়। পাশাপাশি জরুরি খরচের জন্য কিছু সঞ্চয় রাখুন এবং চাকরি খোঁজার সময় বর্তমান দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করুন।চাকরি ছাড়ার সময় প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ পিরিয়ড সম্পন্ন করুন, প্রয়োজনীয় দায়িত্ব বুঝিয়ে দিন এবং পেশাদার সম্পর্ক বজায় রাখুন। অভিজ্ঞতার সনদ, বেতনসংক্রান্ত নথি, প্রযোজ্য ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় রেফারেন্স সংগ্রহ করতেও ভুলবেন না।সবশেষে, চাকরি বদলানোকে শুধু একটি প্রতিষ্ঠান ছেড়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে যোগ দেওয়া হিসেবে দেখবেন না। নিজের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য, আর্থিক নিরাপত্তা, দক্ষতা ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিন।