ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে নিজ ফ্ল্যাট থেকে যুব মহিলা লীগ নেত্রী ও শিক্ষিকা ডালিয়া আক্তার সুমার (৫০) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আজগর হোসেন বিষয়টি ঢাকার কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।
এ ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য জানাতে আগামীকাল রোববার (২৫ অক্টোবর) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে বাস্তা ইউনিয়নের রসুলপুর বাজার এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ডালিয়া আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বাস্তা ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও চর বাঘাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফ্ল্যাটের শয়নকক্ষ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের গলা, মুখ ও কানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। পরে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
প্রাথমিকভাবে ফ্ল্যাট থেকে এক বোরকা পরা ব্যক্তিকে বেরিয়ে যেতে দেখার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর থেকেই ওই ব্যক্তিকে ঘিরে রহস্য তৈরি হয়। পুলিশ ঘটনাটির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিচয় ও হত্যাকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে নিজ ফ্ল্যাট থেকে যুব মহিলা লীগ নেত্রী ও শিক্ষিকা ডালিয়া আক্তার সুমার (৫০) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আজগর হোসেন বিষয়টি ঢাকার কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।
এ ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য জানাতে আগামীকাল রোববার (২৫ অক্টোবর) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে বাস্তা ইউনিয়নের রসুলপুর বাজার এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ডালিয়া আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বাস্তা ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও চর বাঘাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফ্ল্যাটের শয়নকক্ষ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের গলা, মুখ ও কানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। পরে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
প্রাথমিকভাবে ফ্ল্যাট থেকে এক বোরকা পরা ব্যক্তিকে বেরিয়ে যেতে দেখার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর থেকেই ওই ব্যক্তিকে ঘিরে রহস্য তৈরি হয়। পুলিশ ঘটনাটির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিচয় ও হত্যাকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন