ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬। ০৭:১৭ মিনিট

গরুর মাংসের নামে ঘোড়ার মাংস বিক্রি! অপরাধীকে কারাদণ্ড

গরুর মাংসের নামে ঘোড়ার মাংস বিক্রি! অপরাধীকে কারাদণ্ড

খুলনা ও সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির অভিযোগে আনিসুর রহমান ওরফে পলাশ মাহমুদ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন।

তালা উপজেলা ও খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী ১৮ মাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। অভিযানে তিনটি জবাই করা ঘোড়ার মাংস এবং একটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়েছে। মাংসের পরিমাণ প্রায় তিন মণ বলে একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী এসআরবি-৬-এর কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, চক্রটি বিভিন্ন জায়গা থেকে ঘোড়া এনে জবাই করার পর সেই মাংস গরু বা খাসির মাংস হিসেবে হোটেল-রেস্তোরাঁয় বিক্রি করত বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পলাশ অন্তত ১৬টি ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাঁকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। জব্দ করা মাংস অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জবাই করা হয়েছিল বলে জানান উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। পরে মাংস মাটিতে পুঁতে নষ্ট করা হয় এবং জীবিত ঘোড়াটিকে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের জিম্মায় দেওয়া হয়।

বিষয় : কারাদণ্ড ঘোড়ার মাংস বিক্রি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


গরুর মাংসের নামে ঘোড়ার মাংস বিক্রি! অপরাধীকে কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

খুলনা ও সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির অভিযোগে আনিসুর রহমান ওরফে পলাশ মাহমুদ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন।

তালা উপজেলা ও খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী ১৮ মাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। অভিযানে তিনটি জবাই করা ঘোড়ার মাংস এবং একটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়েছে। মাংসের পরিমাণ প্রায় তিন মণ বলে একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী এসআরবি-৬-এর কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, চক্রটি বিভিন্ন জায়গা থেকে ঘোড়া এনে জবাই করার পর সেই মাংস গরু বা খাসির মাংস হিসেবে হোটেল-রেস্তোরাঁয় বিক্রি করত বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পলাশ অন্তত ১৬টি ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাঁকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। জব্দ করা মাংস অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জবাই করা হয়েছিল বলে জানান উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। পরে মাংস মাটিতে পুঁতে নষ্ট করা হয় এবং জীবিত ঘোড়াটিকে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের জিম্মায় দেওয়া হয়।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত