ঢাকার কেরানীগঞ্জে কদমতলী এলাকার একটি গ্যাসলাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ইমান উল্লাহ মাস্তানকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তবে ঘটনার মামলায় উল্লেখিত প্রধান দুই আসামি আকরাম উল্লাহ আকরাম ও আহনাফ আকিফ আকরাম এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গতকাল রবিবার (৫ এপ্রিল) ইমানউল্লাহ মাস্তানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত ইমানউল্লাহ আগানগর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য হলেও এলাকায় নিজেকে আগানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিতেন।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ছয়জনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। শনিবার রাতে পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে স্বজনরা মরদেহগুলো শনাক্ত করেন। শনাক্ত হওয়া তিনজন হলেন— মঞ্জু বেগম (৩৬), শাহীনুর বেগম (৩৫) ও মীম আক্তার (১৬)।
স্বজনদের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানার প্রধান ফটক তালাবদ্ধ ছিল, ফলে শ্রমিকরা বের হতে পারেননি। তারা এ ঘটনাকে দুর্ঘটনা নয়, বরং অবহেলার কারণে সংঘটিত মর্মান্তিক ঘটনা বলে উল্লেখ করে দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে মামলায় প্রধান দুই আসামি হিসেবে উল্লেখ থাকা আকরাম উল্লাহ আকরাম ও আহনাফ আকিফ আকরাম এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সচেতন মহলের প্রশ্ন, ঘটনার পর এতদিন পার হলেও কেন তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না এবং এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা কোথায়।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে আগানগর ইউনিয়নের কদমতলী এলাকায় অবস্থিত একটি গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুন লাগে। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিকেলে তা পুরোপুরি নেভানো হয়। ঘটনাটি শ্রমিক নিরাপত্তা ও কারখানা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জে কদমতলী এলাকার একটি গ্যাসলাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ইমান উল্লাহ মাস্তানকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তবে ঘটনার মামলায় উল্লেখিত প্রধান দুই আসামি আকরাম উল্লাহ আকরাম ও আহনাফ আকিফ আকরাম এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গতকাল রবিবার (৫ এপ্রিল) ইমানউল্লাহ মাস্তানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত ইমানউল্লাহ আগানগর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য হলেও এলাকায় নিজেকে আগানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিতেন।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ছয়জনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। শনিবার রাতে পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে স্বজনরা মরদেহগুলো শনাক্ত করেন। শনাক্ত হওয়া তিনজন হলেন— মঞ্জু বেগম (৩৬), শাহীনুর বেগম (৩৫) ও মীম আক্তার (১৬)।
স্বজনদের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানার প্রধান ফটক তালাবদ্ধ ছিল, ফলে শ্রমিকরা বের হতে পারেননি। তারা এ ঘটনাকে দুর্ঘটনা নয়, বরং অবহেলার কারণে সংঘটিত মর্মান্তিক ঘটনা বলে উল্লেখ করে দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে মামলায় প্রধান দুই আসামি হিসেবে উল্লেখ থাকা আকরাম উল্লাহ আকরাম ও আহনাফ আকিফ আকরাম এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সচেতন মহলের প্রশ্ন, ঘটনার পর এতদিন পার হলেও কেন তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না এবং এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা কোথায়।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে আগানগর ইউনিয়নের কদমতলী এলাকায় অবস্থিত একটি গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুন লাগে। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিকেলে তা পুরোপুরি নেভানো হয়। ঘটনাটি শ্রমিক নিরাপত্তা ও কারখানা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন