ঢাকার কণ্ঠ

পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে তরুণীসহ গ্রেপ্তার ২

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন ও বিক্রির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার তরুণীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদ (২৫) ও তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুক (৩০)।বুধবার (১৯ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. তরিকুল ইসলাম।গত ১১ আগস্ট সকাল ১০টা ২০ মিনিটে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এফ ব্লকের আফরোজা বেগম রোডের একটি বাসা থেকে সুমাইয়া সাঈদকে গ্রেপ্তার করে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। এ সময় তার কাছ থেকে ১টি iPhone এবং ১টি OnePlus 13R স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুকে বাড্ডা লিংক রোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকেও একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুইজনসহ মোট ছয়জনের নামের ডিএমপির রমনা থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত দাশ। মামলায় সুমাইয়া সাঈদের বাবা মো. আবু সাঈদকেও আসামি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি মেয়ের অনৈতিক কার্যক্রম সম্পর্কে জেনেও তার উপার্জনে সম্মতি দেন এবং অর্থ গ্রহণ করেন।উপ-কমিশনার (ডিসি) তরিকুল ইসলাম জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, সংরক্ষণ, বিজ্ঞাপন ও অর্থের বিনিময়ে সরবরাহের অভিযোগে এক নারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চক্রটি পর্নোগ্রাফি উৎপাদন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম Instagram ও Telegram সহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তৈরিকৃত পর্ণ ভিডিও এবং ছবি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট Telegram গ্রুপ/চ্যানেলে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করছিল। গ্রাহকদের কাছ থেকে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে এমএফএস (বিকাশ/নগদ) একাউন্ট ব্যবহার করতো। গ্রেপ্তার সুমাইয়া সাঈদ নিজের পর্ণ ভিডিও/ছবি তৈরি করতো। তার পর্নো তৈরিরর পার্টনার খাজা সাকলাইন ফারুক।তিনি আর জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও জব্দকৃত ডিভাইসের তথ্য বিশ্লেষণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টের বিজ্ঞাপন, বিক্রি এবং আর্থিক লেনদেনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে। এছাড়া আরও কয়েকজন ব্যক্তি এ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে তরুণীসহ গ্রেপ্তার ২