টাঙ্গাইলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর এক আসামিকে ১৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।একই সঙ্গে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ.ন.ম ইলিয়াছ এ রায় ঘোষণা করেন।যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন,ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার কামারিয়া গ্রামের মৃত মুকছেদ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম শফি, একই এলাকার ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সামছুল হক সামছু। ১৫ বছর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন জামালপুর সদর উপজেলার কটার বাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে আব্দুর রহিম।মামলার বিবরণে জানাগেছে, ২০২৩ সালের ২২ জুন জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ গ্রামের এক নারীকে টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের দোখলা ইয়াদ আলীর চালা নামক স্থানে বনের ভেতর একটি টং মেশিন ঘরে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ঘটনার চার দিন পর ২৬ জুন মধুপুর থানায় মামলা করেন।মামলাটি তদন্ত শেষে মধুপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সাত্তার আদালতে তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।২০২৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমরাও খান দীপু। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহান শাহ সিদ্দিকী।রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।