যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ বন্ধে শান্তি চুক্তি নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। এমন খবরে অন্যান্য প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে ডলারের মূল্য ১০ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (১৫জুন) এশীয় লেনদেনে ইউরোর মূল্য দশমিক ৩৫ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ১৬০৭ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং দশমিক ৩ শতাংশ শক্তিশালী হয়ে ১ দশমিক ৩৪৪৮ ডলারে উন্নীত হয়। একই সঙ্গে তেলের দাম কমে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে।এছাড়া ঝুঁকিপ্রবণ মুদ্রা হিসেবে পরিচিত অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মান দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে দশমিক ৭০৭৫ ডলারে পৌঁছায়। নিউজিল্যান্ড ডলার (কিউই) দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দশমিক ৫৮৫৪ ডলারে লেনদেন হয়।ইয়েন ও ইউরোসহ প্রধান মুদ্রার ঝুড়ির বিপরীতে ডলারের অবস্থান পরিমাপকারী ডলার ইনডেক্স শূন্য দশমিক ৩১ শতাংশ কমে ৯৯ দশমিক ৪৯২-এ নেমে আসে, যা ৫ জুনের পর সর্বনিম্ন স্তর।এদিকে, সিডনিভিত্তিক এটিএফএক্স গ্লোবালের প্রধান বাজার কৌশলবিদ নিক টুইডেল বলেন, আগামী কয়েকটি লেনদেন সেশনে ডলারের আরও দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ডলার ও ইয়েনের মতো কিছু ঝুঁকিপ্রবণ মুদ্রা আরও শক্তিশালী হতে পারে। তবে খুব বড় ধরনের ওঠানামা হবে বলে মনে হয় না। হরমুজ প্রণালি কত দ্রুত পুরোপুরি চালু হবে এবং তেল সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে কত সময় লাগবে, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। এটি কয়েক সপ্তাহ নয়, বরং কয়েক মাস সময় নিতে পারে।অন্যদিকে জাপানি ইয়েন ডলারের বিপরীতে ১৬০ দশমিক ১৫০ পর্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে। ১৬০ স্তরকে বাজারে এমন একটি সীমা হিসেবে দেখা হয়। মুদ্রার মান এই স্তরে পৌঁছুলে জাপান সরকার বা দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনে হস্তক্ষেপ করতে পারে।প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় তাহলে তেহরানের বিরুদ্ধে আবার সামরিক হামলা শুরু করা হবে। পুনরায় শুরু করতে পারেন অথবা মধ্যপ্রাচ্যের তেল রাজস্বের ২০ শতাংশের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ওই অঞ্চলের ‘অভিভাবক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবেন।