রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ড্রেনেজ-সংক্রান্ত নাগরিক অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম 'ক্লিন কেয়ার' অ্যাপ চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ডিএসসিসির নগর ভবনে অডিটোরিয়ামে অ্যাপটির উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই অ্যাপের মাধ্যমে নগরবাসী বর্জ্য অপসারণ, ময়লা-আবর্জনা, ড্রেনেজ সমস্যা, জলাবদ্ধতা ও পরিচ্ছন্নতা-সংক্রান্ত অভিযোগ সরাসরি ডিজিটাল মাধ্যমে জানাতে পারবেন। এর পাশাপাশি অভিযোগের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণেরও সুযোগ থাকছে অ্যাপটিতে, যা অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া আরও দ্রুততর করবে বলে সংস্থাটির দাবি।এসময় প্রধান অথিতির বক্তব্যে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, 'ক্লিন কেয়ার' অ্যাপের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করা হবে। নাগরিকরা ঘরে বসেই বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতা–সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির অগ্রগতিও তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারবেন। প্রশাসক বলেন, অ্যাপে পাওয়া অভিযোগ ও তথ্য বিশ্লেষণ করে কোন এলাকায় কী ধরনের বর্জ্য সমস্যা বেশি, কোথায় জনবল বা গাড়ি বাড়ানো প্রয়োজন এবং কোথায় অতিরিক্ত বরাদ্দ দিতে হবে, সে বিষয়ে তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।তিনি আরো বলেন, নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এ জন্য নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ ও গণমাধ্যমের সহযোগিতাও প্রয়োজন।এসময় ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা বলেন, ক্লিন কেয়ার অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকেরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত অভিযোগ সহজেই জানাতে পারবেন। অভিযোগ করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি গ্রহণের বার্তা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার তথ্য পাওয়া যাবে, ফলে অভিযোগ নিষ্পত্তির পুরো প্রক্রিয়া নজরদারি করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, অ্যাপটির কার্যকারিতা মূল্যায়নের পর ড্রেনেজ, ভাঙাচোরা ও কাটা রাস্তার অভিযোগও এতে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি নাগরিকদের অভিযোগ বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়নেও এই তথ্য ব্যবহার করা হবে।এসময় অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা ও পরিদর্শকগণ, সংস্থার সচিব এবং সিস্টেম অ্যানালিস্টসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।