ঢাকার কণ্ঠ

তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু!

ভারতের মুম্বাইয়ের পাইধোনি এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতরা হলেন আব্দুল্লাহ ডোকাদিয়া (৪০), তার স্ত্রী নাসরিন (৩৫) এবং তাদের দুই কিশোরী কন্যা আয়েশা ও জয়নব।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৫ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিবারের ৯ সদস্য একসঙ্গে রাতের খাবার (বিরিয়ানি) খান। খাবার শেষে কিছু আত্মীয় নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান।পরিবারের দাবি অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে ওই চারজন তরমুজ খান। এরপরই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। পরে ভোর সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে চারজনেরই তীব্র বমি ও পেটব্যথা শুরু হয়। দ্রুত স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে তাদের জেজে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে সবাই মারা যান।প্রথমে ১৩ বছর বয়সী জয়নবের মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের প্রধান আব্দুল্লাহ, এরপর নাসরিন এবং বড় মেয়ে আয়েশাও মৃত্যুবরণ করেন।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, এটি খাদ্য বিষক্রিয়ার (ফুড পয়জনিং) ঘটনা হতে পারে। তবে ঠিক কোন খাবার বা উপাদান থেকে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলেও চূড়ান্ত কারণ জানতে হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল রিপোর্টের অপেক্ষা করছে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় জেজে মার্গ থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা (এডি কেস) দায়ের করা হয়েছে।কিছু চিকিৎসক বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সম্ভাবনার কথা বললেও বিরিয়ানি ও তরমুজ—এই দুই খাবারের ভূমিকা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।এদিকে ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলায় স্ট্রিট ফুড খেয়ে আরেকটি খাদ্যজনিত ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। সেখানে ফুচকা ও চাট খাওয়ার পর এক ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত ১৮ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।গরমের এই মৌসুমে বাসি খাবার, অস্বাস্থ্যকর পানি ও রাস্তার খাবার থেকে ডায়রিয়া, বমি ও পেটের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা খাবারের পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ পানি ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু!