বিএনপি থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুন রায় চৌধুরী। তবে তার সম্পদ বিবরণীতে থাকা ৫০২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই চলছে আলোচনা-সমালোচনা। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেছেন বিএনপির এই নেত্রী।আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) ঢাকার কেরানীগঞ্জের গোলাম বাজার এলাকার বায়তুল নুরজামে মসজিদে সরকারি ছয় লাখ টাকা অনুদান ঘোষণার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।নিপুন রায় চৌধুরী বলেন, বিয়ের আগে, বিয়ের সময় ও পরবর্তীতে যে উপহার সামগ্রী পিতৃকূল, মাতৃকূল, শ্বশুরবাড়ি, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও পরিজনের কাছ থেকে এসব অলঙ্কার পেয়েছেন সেটি হলফনামায় তিনি ঘোষণা করেছেন। তিনি আরও বলেন, এটা নতুন কোনো ঘোষণা নয়। ২০২৪ সালের জুনে যে ইনকাম ট্যাক্স দিয়েছিলেন সেখানেও ঘোষণা করা আছে। আমি সততার সাথে ঘোষণা করেছি। হ্যাঁ এটাই আমার সততার পুরস্কার। আমার একটি ফ্ল্যাট আছে, সেটি আমি ঘোষণা করেছি। আমার দুটি গাড়ি আছে সেটিও আমি ঘোষণা করেছি। আমি যখন ঢাকা ব্যাংকে চাকরি করতাম তখন আমি এই ব্যাংকের লোন নিয়ে আমার নামে একটি গাড়ি ক্রয় করি। পরবর্তীতে আমি সম্পূর্ণভাবে এই লোন পরিশোধ করে ঋণ মুক্ত হয়েছি।প্রসঙ্গত, বিএনপির রাজনীতিতে বেশ আলোচিত নাম নিপুন রায় চৌধুরী। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপির যে কয়েকজন নারীনেত্রী সামনের সারিতে ছিলেন তাদের মধ্যে নিপুন রায় চৌধুরী অন্যতম। তিনি সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ।সাম্প্রতি সময়ে বিএনপি থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান তিনি। মনোনয়ন পাওয়ার পরে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা তার হলফনামায় উঠে এসেছে বিপুল পরিমাণ সম্পদের বিবরণ।নিপুন রায় চৌধুরীর দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, তার নিজের রয়েছে ৫০২ ভরি স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর গয়না। তার স্বামী অমিতাভ রায়ের রয়েছে ১০০ ভরি গয়না। তবে এসব স্বর্ণালংকারের কোনো মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। হলফনামায় বলা হয়েছে, এগুলোর অর্জনকালীন মূল্য অজানা এবং উপহার হিসেবে পাওয়া।