ঢাকার কণ্ঠ

মুন্সিগঞ্জ ডিবির এসআই আবুল কালাম আজাদের হাতে উঠছে বিপিএম পদক

চাঞ্চল্যকর ও ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধী শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং মাদকবিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) পাচ্ছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবুল কালাম আজাদ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-২ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে ২০২৫ সালের জন্য চার ক্যাটাগরিতে মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পদক দেওয়ার তথ্য জানানো হয়। তাদের মধ্যে ১২ জনকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), ১৮ জনকে বিপিএম-সেবা, ১৮ জনকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) এবং ৪৪ জনকে পিপিএম-সেবা দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাহসিকতা, বীরত্ব, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত, সেবায় অনন্য নজির এবং উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে এসব পদক দেওয়া হয়েছে। মুন্সিগঞ্জ ডিবিতে দায়িত্ব পালনকালে এসআই আবুল কালাম আজাদ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত ও অপরাধী গ্রেপ্তারে ভূমিকা রাখেন। এর মধ্যে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের ছদ্মবেশে ডাকাতির প্রস্তুতির ঘটনায় অভিযান এবং অপরাধী চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। মাদকবিরোধী অভিযানেও তার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনার তথ্য পাওয়া যায়। গত মার্চে পদ্মা সেতু উত্তর থানার এলাকায় ডিবির অভিযানে ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তিনি নেতৃত্বে ছিলেন বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে ক্লু-লেস ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে ভূমিকার জন্য তাকে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে সম্মাননা দেওয়ার তথ্যও পাওয়া যায়। এসআই আবুল কালাম আজাদ শরীয়তপুরের সখিপুর থানার আরশীনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা। ২০০৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন এবং গত কয়েক বছর ধরে মুন্সিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখায় দায়িত্ব পালন করছেন বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পুলিশ পদকের এই তালিকা নিয়ে সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে। বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরসহ মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে চার ক্যাটাগরিতে পদক দেওয়া হয়েছে। 

মুন্সিগঞ্জ ডিবির এসআই আবুল কালাম আজাদের হাতে উঠছে বিপিএম পদক