কেরানীগঞ্জে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর মাদকবিরোধী সমাবেশ শেষেই তিন মাদকসেবী ও কারবারিকে কারাদণ্ড দিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের তাজ কনভেনশন সেন্টারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এ কারাদণ্ড প্রদান করেন কেরানীগঞ্জ মডেল ভূমি অফিসের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা।আসামিরা হলেন আনোয়ার হোসেন (৩৯), এনায়েত (৪৩) ও রতন (২৫)। কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই রুহুল আমিন। মোবাইল কোর্টে আনোয়ার ও এনায়েতকে ৭ দিনের কারাদণ্ড এবং রতনকে ১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।মোবাইল কোর্ট পরিচালনার আগেই সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কেরানীগঞ্জসহ দেশবাসীর উদ্দেশে জানান, ঘরে ঘরে দুর্গ তৈরি করে মাদককে রুখে দিতে হবে। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রধান যুবশক্তিকে ধ্বংস করায় বিদেশি শত্রুপক্ষের টার্গেট। তাই এলাকা, পাড়া-মহল্লা, ঘর ও প্রতিবেশী প্রত্যেককেই সচেতন হতে হবে। নিজ নিজ সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কী করছে, মাদকে জড়িত হচ্ছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রয়োজন হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে শাস্তি দিতে হবে এবং মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিতে হবে।ঢাকা জেলা ডিসি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইরফান ইবনে আমান অমি।এ সময় অমি বলেন, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগ দিতে হবে এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের ভূমিকার বিকল্প নেই।মাদক নিয়ে তিনি বলেন, যে বিক্রি করবে এবং যে ক্রয় করবে, এলাকাবাসী তাদের ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করবে। পতিত ফ্যাসিস্টদের নিয়ে তিনি বলেন, অসংখ্য শিশুকে হত্যা করেছে তারাই ওত পেতে আছে নাশকতা সৃষ্টির জন্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সরকারপ্রধানকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখেন তিনি।এবং তিনি আরও বলেন, ‘এক হও, লড়াই কর। জিয়ার সৈনিক, লড়াই চলবে মাদকের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। তাই সবার আগে বাংলাদেশ।’এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওমর ফারুক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।