ইরাকের এরবিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে তাদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সামরিক ঘাঁটির কার্যক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।শনিবার (২৫ জুলাই) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে এ দাবি করেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আক্রমিনিয়া।তিনি বলেন, ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে এরবিলে থাকা মার্কিন সামরিক অবকাঠামোর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত বিভিন্ন গোষ্ঠীর কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতাও কমে গেছে।মুখপাত্র আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম এশিয়া, দক্ষিণ ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে থাকা সামরিক উপস্থিতির মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা করতে পারে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ইরানও সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে বলে তিনি সতর্ক করেন।আক্রমিনিয়ার দাবি, সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরান নতুন প্রজন্মের ড্রোন মোতায়েন করেছে, যা আরাশ-২ ড্রোনের তুলনায় আরও বেশি দূরপাল্লার, নির্ভুল এবং শক্তিশালী। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তিনি এসব ড্রোন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি।ইরানের সেনাবাহিনীর দাবি, যুদ্ধবিরতির পর ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ আবার সচল করা হয়েছে এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের ফলে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হয়েছে।তবে ইরানি সেনাবাহিনীর এসব দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ প্রকাশিত হয়নি। একই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।