ঢাকার কণ্ঠ

সিসিটিভিতে ককটেল নিক্ষেপকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর হাইকোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে বড় কোনো বিষয় হিসেবে দেখছেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই হাইকোর্টের সামনে একটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে এবং সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এর আগে দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার কিছু সময় পরই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতিদের প্রবেশপথের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ট্রাইব্যুনালের রায় প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আদালত স্বাধীনভাবে বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটিকে সরকার সম্মান করে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী ও দেশবাসী আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পেয়েছে। এ সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েও কথা বলেন তিনি। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দলটির কিছু লোক মাঝেমধ্যে ছোট পরিসরে মিছিল করে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করছে। সম্প্রতি গুলশানে জুমার নামাজের কথা বলে লোকজন জড়ো হয়ে মিছিল করার ঘটনাতেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরে ব্যবস্থা নিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ওই কর্মসূচি সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য থাকলেও নামাজের উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া লোকজন এমন কর্মসূচি করতে পারে—এমনটা পুলিশ আগে থেকে ধারণা করতে পারেনি। তবে পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সিসিটিভিতে ককটেল নিক্ষেপকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী