ঢাকার কণ্ঠ

কলকারখানার উৎপাদন বন্ধসহ জনজীবনে নেমে এসেছে ভোগান্তি!

গত কয়েক দিনের লোডশেডিংয়ে এই অঞ্চলের জনজীবনে অস্বস্তি নেমে এসেছে। দিনে ৫ থেকে ৬ বার বিদ্যুৎ চলে যায়। এ অবস্থায় রাতে হলেও বাড়তে থাকে ভোগান্তি। প্রতিটি রাতে বিদ্যুৎ থাকে না বললেই চলে।এদিকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে কলকারখানার। ফলে এই অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন কাজ প্রায় বন্ধের উপক্রম।সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চলমান এস এস সি পরীক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে তারা ঠিকমত পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারছেন না।ঘাটারচর খালপার এলাকার বাসিন্দা হুমায়ুন আহমেদের মেয়ে এস এস সি পরীক্ষার্থী মোছা. হুমাইরা আক্তার এবং ফারুক কাজির ছেলে আজমাইন অর্নব বলেন, চলমান বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে তাদের পড়াশোনার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।ঠিকমত তারা পরীক্ষায় প্রস্তুতি নিতে পারছেন না।দিনে কয়েক বার বিদ্যুৎ চলে যায় এবং রাতেও থাকেনা।আটি বাজার সাব জোনাল অফিসে যোগাযোগ করা হলে বিদ্যুৎ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমেরিকা ও ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রনালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানী সংকট তৈরি হয়েছে।যার প্রভাব বাংলাদেশের  জ্বালানী খাতেও পড়েছে। এই সমস্যা নিরশনে সরকার আন্তরিকতার সাথে চেষ্টা করছেন। এ সমস্যা খুবই দ্রুত সমাধান হবে বলে জানান তিনি।আটি বাজার এলাকার বাসিন্দারা জানান, খুব দ্রুত বিদ্যুৎ বিভ্রাট সমস্যার সমাধান না হলে এ এলাকার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে এবং জনজীবন মুখ থুবড়ে পড়বে। তাই তারা উর্ধ্বতন কর্মকতার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং বিদ্যমান সমস্যার সমাধান দাবি করেন।

কলকারখানার উৎপাদন বন্ধসহ জনজীবনে নেমে এসেছে ভোগান্তি!