ঢাকার কণ্ঠ

শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, ‘চুমু দেওয়া রাজনৈতিক নেতারও কাজ নয়’: রাশেদ খাঁন

টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে চুমু দেওয়ার অভিযোগ এবং এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে শিশুটির বাবার থাপ্পড় মারার ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, চুমু দেওয়া একজন শিক্ষকের কাজ নয়, একজন রাজনৈতিক নেতারও কাজ নয়।শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এ মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। তাঁর বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, টঙ্গীর মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী শিশুকে চুমু দেওয়ার অভিযোগ এবং পরে শিশুটির বাবার অভিযুক্ত শিক্ষককে থাপ্পড় মারার ঘটনা দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনার পর অনেক অভিভাবক তাঁদের সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে আরও বলেন, একটি দলের প্রধান নেতার প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার আচরণ থেকে অন্যরা প্রভাবিত হতে পারেন। তবে ওই নেতার উদ্দেশ্য নেতিবাচক ছিল—এমন দাবি করছেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে শিশু কিংবা অন্য কারও প্রতি এ ধরনের আচরণ বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, টঙ্গীর ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাও নিজের আচরণ নিয়ে সতর্ক হবেন।গত ২১ অক্টোবর গাজীপুরের টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক ছাত্রীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের অভিযোগ ওঠে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পরে শিশুটির স্বজনেরা ওই শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করেন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।শিশুটির বাবার করা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অন্যদিকে, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষও প্রতিষ্ঠানটিতে হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে পৃথক অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, ‘চুমু দেওয়া রাজনৈতিক নেতারও কাজ নয়’: রাশেদ খাঁন