মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে জ্বালানি সংকটের প্রভাবে সারা বিশ্বে পণ্যের দাম বাড়ছে এবং আগামী দিনগুলোতে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরও প্রকট হতে পারে। এর প্রভাবে অন্যান্য দেশের মতো আগামীতে বাংলাদেশেও পণ্যের দাম বাড়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে জাতিসংঘের ওএইচআরএলএলএস ও আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই ন্যাশনাল মাল্টিস্টেকহোল্ডার কনসাল্টেশন কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অর্থমন্ত্রী জ্বালানি সংকটকে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে খাদ্যদ্রব্যসহ পুরো সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর। আগামী দিনে পণ্যের দাম বাড়বে এ নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই।
তিনি বলেন, এটি কোনো একক দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয় বরং বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব প্রতিটি রাষ্ট্রকেই মোকাবিলা করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম দ্বিগুণ হয়েছে এবং প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কায় তা বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত সরকার তেলের দাম না বাড়িয়ে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে; তবে বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে কতদিন এই স্থিতাবস্থা বজায় রাখা সম্ভব হবে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
অর্থমন্ত্রী জানান, নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের ওপর চাপ কম রাখতে চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে একসময় এই চাপ বহন করা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়তে পারে। যদি সরকারি তহবিল এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে, তাহলে শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব জনগণের ওপরই পড়বে। তাই বিষয়টি বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে জ্বালানি সংকটের প্রভাবে সারা বিশ্বে পণ্যের দাম বাড়ছে এবং আগামী দিনগুলোতে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরও প্রকট হতে পারে। এর প্রভাবে অন্যান্য দেশের মতো আগামীতে বাংলাদেশেও পণ্যের দাম বাড়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে জাতিসংঘের ওএইচআরএলএলএস ও আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই ন্যাশনাল মাল্টিস্টেকহোল্ডার কনসাল্টেশন কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অর্থমন্ত্রী জ্বালানি সংকটকে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে খাদ্যদ্রব্যসহ পুরো সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর। আগামী দিনে পণ্যের দাম বাড়বে এ নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই।
তিনি বলেন, এটি কোনো একক দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয় বরং বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব প্রতিটি রাষ্ট্রকেই মোকাবিলা করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম দ্বিগুণ হয়েছে এবং প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কায় তা বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত সরকার তেলের দাম না বাড়িয়ে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে; তবে বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে কতদিন এই স্থিতাবস্থা বজায় রাখা সম্ভব হবে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
অর্থমন্ত্রী জানান, নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের ওপর চাপ কম রাখতে চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে একসময় এই চাপ বহন করা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়তে পারে। যদি সরকারি তহবিল এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে, তাহলে শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব জনগণের ওপরই পড়বে। তাই বিষয়টি বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন