বিসিবিকে যেভাবে দখল করা হয়েছে তা আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই। এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ বিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে উত্থাপনের জন্য আবেদনের প্রেক্ষিতে আপত্তি জানিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিসিবির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে নগ্নভাবে রাষ্ট্রীয়করণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে মানবাধিকার কমিশনকে বিরোধী দল ও মত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। গুম-খুনের বৈধতা দেওয়া এবং ভিকটিম ব্লেমিংয়ের জন্য এই প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করা হয়েছে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এই মানবাধিকার কমিশনকে যদি আবারও কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখা হয় এবং তাদের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কার্যক্রমগুলো নিরীক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে তাদের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আমরা যদি এই বিলের সঠিক বাস্তবায়ন চাই, তবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অবশ্যই স্বায়ত্তশাসিত (অটোনোমাস) প্রতিষ্ঠান করতে হবে। অন্যথায় নিরপেক্ষ কোনো অনুসন্ধান পাওয়া সম্ভব হবে না।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
বিসিবিকে যেভাবে দখল করা হয়েছে তা আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই। এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ বিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে উত্থাপনের জন্য আবেদনের প্রেক্ষিতে আপত্তি জানিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিসিবির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে নগ্নভাবে রাষ্ট্রীয়করণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে মানবাধিকার কমিশনকে বিরোধী দল ও মত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। গুম-খুনের বৈধতা দেওয়া এবং ভিকটিম ব্লেমিংয়ের জন্য এই প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করা হয়েছে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এই মানবাধিকার কমিশনকে যদি আবারও কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখা হয় এবং তাদের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কার্যক্রমগুলো নিরীক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে তাদের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আমরা যদি এই বিলের সঠিক বাস্তবায়ন চাই, তবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অবশ্যই স্বায়ত্তশাসিত (অটোনোমাস) প্রতিষ্ঠান করতে হবে। অন্যথায় নিরপেক্ষ কোনো অনুসন্ধান পাওয়া সম্ভব হবে না।

আপনার মতামত লিখুন