ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬। ০১:৪৩ মিনিট

ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, অতীতেও সরকার এ ধরনের রাজনীতি করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়-এ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর সব ধর্মই মানুষকে কল্যাণের পথে আহ্বান করে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধের পঞ্চশীল নীতির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব নীতিতে হত্যা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যা ও মাদক থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা রয়েছে, যা প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় আইনের পাশাপাশি নাগরিকরা নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান মেনে চললে একটি মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। সরকার এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় অনুশীলন করতে পারবে।

সরকারের নীতির বিষয়ে তিনি বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার। ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা সবার’ এই নীতিকে সামনে রেখে সরকার কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে লড়াই করেছে। তাই ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই। প্রত্যেক নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবে এটাই সরকারের অবস্থান।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ দেশের সব ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রদায়ের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই কাউকে সংখ্যালঘু মনে না করে সবাইকে সমানভাবে দেশের অংশ হিসেবে নিজেকে ভাবার আহ্বান জানান তিনি।

বিষয় : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, অতীতেও সরকার এ ধরনের রাজনীতি করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়-এ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর সব ধর্মই মানুষকে কল্যাণের পথে আহ্বান করে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধের পঞ্চশীল নীতির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব নীতিতে হত্যা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যা ও মাদক থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা রয়েছে, যা প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় আইনের পাশাপাশি নাগরিকরা নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান মেনে চললে একটি মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। সরকার এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় অনুশীলন করতে পারবে।

সরকারের নীতির বিষয়ে তিনি বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার। ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা সবার’ এই নীতিকে সামনে রেখে সরকার কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে লড়াই করেছে। তাই ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই। প্রত্যেক নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবে এটাই সরকারের অবস্থান।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ দেশের সব ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রদায়ের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই কাউকে সংখ্যালঘু মনে না করে সবাইকে সমানভাবে দেশের অংশ হিসেবে নিজেকে ভাবার আহ্বান জানান তিনি।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত