২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মূল্যস্ফীতির বাস্তব চাপ বিবেচনা করে বিদ্যমান সাড়ে তিন লাখ টাকার করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
একই সঙ্গে কর হারের আকস্মিক পরিবর্তনজনিত অনিশ্চয়তা দূর করতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি প্রগতিশীল দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে করদাতারা মধ্যমেয়াদে তাদের করের দায় আগে থেকেই সঠিকভাবে অনুমান করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
বর্তমানে করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে এই সীমা হবে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। পরবর্তী বছরগুলোতে এই সীমা ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজস্ব খাতে বড় লক্ষ্য ও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ
বাজেটের আকার ও জিডিপির প্রবৃদ্ধি বিবেচনা করে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়। সিংহভাগ, অর্থাৎ প্রায় ৮৬ শতাংশই আদায় করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রাজস্ব আহরণের পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ আকর্ষণে এনবিআরের ভূমিকা অগ্রগণ্য থাকবে। সরকার মধ্যমেয়াদে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে এবং দীর্ঘমেয়াদে ২০৩৫ সালের মধ্যে তা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনে রাজস্ব খাতের বেশ কিছু বড় চ্যালেঞ্জের কথা স্বীকার করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। এর মধ্যে রয়েছে নিম্ন কর-জিডিপি অনুপাত, ব্যাপকভাবে কর অব্যাহতির সংস্কৃতি, ক্ষুদ্র করভিত্তি, কর ফাঁকি এবং কর ব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশনের অভাব।
এগুলো মোকাবিলায় করভিত্তি সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধ এবং কর অব্যাহতি ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার কৌশল নেওয়া হয়েছে। পুরো কর ব্যবস্থায় ‘এন্ড-টু-এন্ড অটোমেশন’ বা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে কর প্রদান পদ্ধতি সহজ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের জন্য নতুন সুবিধা
নারী ও জ্যেষ্ঠ নাগরিকসহ বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমাতেও পরিবর্তন আসছে। নতুন প্রস্তাবে নারী ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ নাগরিকদের জন্য আগামী দুই বছরের করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে এটি বাড়িয়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে। তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য এই সীমা শুরুতে ৫ লাখ টাকা, পরবর্তী দুই বছর ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এবার গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের জন্য ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে, যা ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৬ লাখ টাকায় উন্নীত হবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা-মাতা বা আইনানুগ অভিভাবকেরা প্রতি সন্তানের জন্য অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা বেশি করমুক্ত সীমার সুবিধা পাবেন।
পাঁচ বছরের করের হার
পাঁচ বছরের করকাঠামোকে তিনটি ধাপে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষের হার বিন্যাস করা হয়েছে। এই সময়ে প্রথম ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কোনো কর দিতে হবে না। পরবর্তী ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০ শতাংশ এবং পরবর্তী ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ কর ধার্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর চেয়ে বেশি অর্থাৎ মোট ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকার অবশিষ্ট আয়ের ওপর সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপে অর্থাৎ ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে করমুক্ত আয়ের সীমা বেড়ে দাঁড়াবে ৪ লাখ টাকায়। এই সময়ে আয়ের ওপর করের সর্বোচ্চ হার ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ৩ কোটি টাকার বেশি অবশিষ্ট আয়ের ক্ষেত্রে এই সর্বোচ্চ হার প্রযোজ্য হবে।
এই ধাপের কর হার অনুযায়ী, প্রথম ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত শূন্য কর। পরবর্তী ৩ লাখ টাকায় ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকায় ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকায় ২০ শতাংশ এবং পরবর্তী ২০ লাখ টাকার ওপর ২৫ শতাংশ কর দিতে হবে। এরপর পরবর্তী ২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ কর নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। ৩ কোটি টাকার বেশি অবশিষ্ট আয়ের ওপর ৩৫ শতাংশ কর প্রযোজ্য হবে।
তৃতীয় ধাপে ২০৩০-৩১ করবর্ষে করমুক্ত আয়ের সীমা আরও বাড়িয়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এই সময়ে প্রথম ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত কর শূন্য। পরবর্তী ৩ লাখ টাকার ওপর ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকার ওপর ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকায় ২০ শতাংশ এবং পরবর্তী ২০ লাখ টাকার ওপর ২৫ শতাংশ কর দিতে হবে। এরপর অবশিষ্ট ২ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ এবং ৩ কোটি টাকার বেশি অবশিষ্ট আয়ের ওপর ৩৫ শতাংশ করের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিষয় : জাতীয় বাজেট বাজেট ২০২৬–২৭

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মূল্যস্ফীতির বাস্তব চাপ বিবেচনা করে বিদ্যমান সাড়ে তিন লাখ টাকার করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
একই সঙ্গে কর হারের আকস্মিক পরিবর্তনজনিত অনিশ্চয়তা দূর করতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি প্রগতিশীল দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে করদাতারা মধ্যমেয়াদে তাদের করের দায় আগে থেকেই সঠিকভাবে অনুমান করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
বর্তমানে করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে এই সীমা হবে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। পরবর্তী বছরগুলোতে এই সীমা ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজস্ব খাতে বড় লক্ষ্য ও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ
বাজেটের আকার ও জিডিপির প্রবৃদ্ধি বিবেচনা করে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়। সিংহভাগ, অর্থাৎ প্রায় ৮৬ শতাংশই আদায় করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রাজস্ব আহরণের পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ আকর্ষণে এনবিআরের ভূমিকা অগ্রগণ্য থাকবে। সরকার মধ্যমেয়াদে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে এবং দীর্ঘমেয়াদে ২০৩৫ সালের মধ্যে তা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনে রাজস্ব খাতের বেশ কিছু বড় চ্যালেঞ্জের কথা স্বীকার করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। এর মধ্যে রয়েছে নিম্ন কর-জিডিপি অনুপাত, ব্যাপকভাবে কর অব্যাহতির সংস্কৃতি, ক্ষুদ্র করভিত্তি, কর ফাঁকি এবং কর ব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশনের অভাব।
এগুলো মোকাবিলায় করভিত্তি সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধ এবং কর অব্যাহতি ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার কৌশল নেওয়া হয়েছে। পুরো কর ব্যবস্থায় ‘এন্ড-টু-এন্ড অটোমেশন’ বা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে কর প্রদান পদ্ধতি সহজ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের জন্য নতুন সুবিধা
নারী ও জ্যেষ্ঠ নাগরিকসহ বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমাতেও পরিবর্তন আসছে। নতুন প্রস্তাবে নারী ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ নাগরিকদের জন্য আগামী দুই বছরের করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে এটি বাড়িয়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে। তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য এই সীমা শুরুতে ৫ লাখ টাকা, পরবর্তী দুই বছর ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এবার গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের জন্য ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে, যা ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৬ লাখ টাকায় উন্নীত হবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা-মাতা বা আইনানুগ অভিভাবকেরা প্রতি সন্তানের জন্য অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা বেশি করমুক্ত সীমার সুবিধা পাবেন।
পাঁচ বছরের করের হার
পাঁচ বছরের করকাঠামোকে তিনটি ধাপে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষের হার বিন্যাস করা হয়েছে। এই সময়ে প্রথম ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কোনো কর দিতে হবে না। পরবর্তী ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০ শতাংশ এবং পরবর্তী ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ কর ধার্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর চেয়ে বেশি অর্থাৎ মোট ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকার অবশিষ্ট আয়ের ওপর সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপে অর্থাৎ ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে করমুক্ত আয়ের সীমা বেড়ে দাঁড়াবে ৪ লাখ টাকায়। এই সময়ে আয়ের ওপর করের সর্বোচ্চ হার ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ৩ কোটি টাকার বেশি অবশিষ্ট আয়ের ক্ষেত্রে এই সর্বোচ্চ হার প্রযোজ্য হবে।
এই ধাপের কর হার অনুযায়ী, প্রথম ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত শূন্য কর। পরবর্তী ৩ লাখ টাকায় ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকায় ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকায় ২০ শতাংশ এবং পরবর্তী ২০ লাখ টাকার ওপর ২৫ শতাংশ কর দিতে হবে। এরপর পরবর্তী ২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ কর নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। ৩ কোটি টাকার বেশি অবশিষ্ট আয়ের ওপর ৩৫ শতাংশ কর প্রযোজ্য হবে।
তৃতীয় ধাপে ২০৩০-৩১ করবর্ষে করমুক্ত আয়ের সীমা আরও বাড়িয়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এই সময়ে প্রথম ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত কর শূন্য। পরবর্তী ৩ লাখ টাকার ওপর ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকার ওপর ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকায় ২০ শতাংশ এবং পরবর্তী ২০ লাখ টাকার ওপর ২৫ শতাংশ কর দিতে হবে। এরপর অবশিষ্ট ২ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ এবং ৩ কোটি টাকার বেশি অবশিষ্ট আয়ের ওপর ৩৫ শতাংশ করের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন