২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) সনদ জমা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রাখা হতে পারে। তবে শিক্ষার্থীসহ নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য এ নিয়মে বিশেষ ছাড়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট, নো-ফ্রিলস অ্যাকাউন্ট (সহজ শর্তে সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য চালু ব্যাংক হিসাব) এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) গেজেটের মাধ্যমে টিআইএন বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। তবে এসব শ্রেণির বাইরে নতুন ব্যাংক হিসাব খুলতে ইচ্ছুক গ্রাহকদের টিআইএন সনদ দাখিল করতে হতে পারে।
করজাল সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি প্রতিরোধ এবং রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘সেন্ট্রাল ডাটা ইন্টিগ্রেশন’ বা কেন্দ্রীয় তথ্য সমন্বয় ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
এই ব্যবস্থার আওতায় এনবিআরের তথ্যভাণ্ডারকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ব্যাংকিং খাত, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি সেবা, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এবং অন্যান্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্যের সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং কর ফাঁকি শনাক্ত করা আরও সহজ হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) সনদ জমা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রাখা হতে পারে। তবে শিক্ষার্থীসহ নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য এ নিয়মে বিশেষ ছাড়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট, নো-ফ্রিলস অ্যাকাউন্ট (সহজ শর্তে সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য চালু ব্যাংক হিসাব) এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) গেজেটের মাধ্যমে টিআইএন বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। তবে এসব শ্রেণির বাইরে নতুন ব্যাংক হিসাব খুলতে ইচ্ছুক গ্রাহকদের টিআইএন সনদ দাখিল করতে হতে পারে।
করজাল সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি প্রতিরোধ এবং রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘সেন্ট্রাল ডাটা ইন্টিগ্রেশন’ বা কেন্দ্রীয় তথ্য সমন্বয় ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
এই ব্যবস্থার আওতায় এনবিআরের তথ্যভাণ্ডারকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ব্যাংকিং খাত, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি সেবা, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এবং অন্যান্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্যের সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং কর ফাঁকি শনাক্ত করা আরও সহজ হবে।

আপনার মতামত লিখুন