ইয়েমেনের বন্দরনগরী হোদাইদার দক্ষিণে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় অন্তত ১৪ সরকারি সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের ঘনিষ্ঠ এক সামরিক কর্মকর্তা।
রোববার (২৭ জুলাই) এএফপিকে ওই কর্মকর্তা জানান, শনিবার ভোরে হোদাইদার দক্ষিণাঞ্চলের হাইস জেলায় কয়েক ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের পর সরকারপন্থী বাহিনী হামলাটি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।
তিনি বলেন, সংঘর্ষে হুতিদের মধ্যেও হতাহত হয়েছে, তবে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির কতজন নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো সংখ্যা জানাননি।
২০১৫ সাল থেকে হুতিরা ইয়েমেন সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে আসছে। দীর্ঘ এই সংঘাতে কয়েক লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং দেশটিতে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে হুতিরা রাজধানী সানা এবং উত্তর ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। এর মধ্যে লোহিত সাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী হোদাইদাও রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার দক্ষিণাঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে।
২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের লড়াই অনেকটাই স্থবির ছিল।
তবে শুক্রবার হুতিরা ইয়েমেনের এডেনভিত্তিক সরকারের প্রধান সমর্থক সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার হুমকি দেয়। তাদের অভিযোগ, একটি ইরানি বিমানকে অবতরণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে রিয়াদ।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ইরানের তথাকথিত ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’-এর অংশ হিসেবে বিবেচিত হুতি গোষ্ঠী এ অভিযোগ তোলে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
ইয়েমেনের বন্দরনগরী হোদাইদার দক্ষিণে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় অন্তত ১৪ সরকারি সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের ঘনিষ্ঠ এক সামরিক কর্মকর্তা।
রোববার (২৭ জুলাই) এএফপিকে ওই কর্মকর্তা জানান, শনিবার ভোরে হোদাইদার দক্ষিণাঞ্চলের হাইস জেলায় কয়েক ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের পর সরকারপন্থী বাহিনী হামলাটি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।
তিনি বলেন, সংঘর্ষে হুতিদের মধ্যেও হতাহত হয়েছে, তবে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির কতজন নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো সংখ্যা জানাননি।
২০১৫ সাল থেকে হুতিরা ইয়েমেন সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে আসছে। দীর্ঘ এই সংঘাতে কয়েক লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং দেশটিতে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে হুতিরা রাজধানী সানা এবং উত্তর ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। এর মধ্যে লোহিত সাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী হোদাইদাও রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার দক্ষিণাঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে।
২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের লড়াই অনেকটাই স্থবির ছিল।
তবে শুক্রবার হুতিরা ইয়েমেনের এডেনভিত্তিক সরকারের প্রধান সমর্থক সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার হুমকি দেয়। তাদের অভিযোগ, একটি ইরানি বিমানকে অবতরণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে রিয়াদ।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ইরানের তথাকথিত ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’-এর অংশ হিসেবে বিবেচিত হুতি গোষ্ঠী এ অভিযোগ তোলে।

আপনার মতামত লিখুন