বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৫৩০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, গত জুনের শেষ দিকে রাখাইন উপকূল থেকে দুটি নৌকা যাত্রা শুরু করে। একটি নৌকায় প্রায় ২৫০ জন এবং অন্যটিতে ২৬০ জন রোহিঙ্গা ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে মিয়ানমারের পাশাপাশি বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকনাফ শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দারাও ছিলেন।
প্রায় দুই সপ্তাহ পর, গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের ইরাওয়াদি উপকূলে পৌঁছানোর আগেই দুটি নৌকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে একটির পর একটি নৌকা ডুবে যায়। এখন পর্যন্ত কোনো যাত্রী জীবিত উদ্ধার হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
নৌকাগুলোর গন্তব্য নিশ্চিত না হলেও ধারণা করা হচ্ছে, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া বা থাইল্যান্ডে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যেই তারা যাত্রা করেছিলেন।
আইওএম ও ইউএনএইচসিআর জানায়, দুর্যোগপূর্ণ মৌসুমে উত্তাল বঙ্গোপসাগরে এমন যাত্রা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নভেম্বর থেকে মার্চ ছাড়া বছরের বাকি সময় সমুদ্র সাধারণত অশান্ত থাকে।
২০১৭ সালে রাখাইনে সামরিক অভিযানের পর বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। বর্তমানে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কারণে অনেকেই জীবন ঝুঁকিতে ফেলে সমুদ্রপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ৬ হাজার ৫০০ জনের বেশি রোহিঙ্গা বঙ্গোপসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন, যার মধ্যে প্রায় ৯০০ জনের মৃত্যু হয়।
বিষয় : বঙ্গোপসাগর রোহিঙ্গা নৌকাডুবি

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৫৩০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, গত জুনের শেষ দিকে রাখাইন উপকূল থেকে দুটি নৌকা যাত্রা শুরু করে। একটি নৌকায় প্রায় ২৫০ জন এবং অন্যটিতে ২৬০ জন রোহিঙ্গা ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে মিয়ানমারের পাশাপাশি বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকনাফ শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দারাও ছিলেন।
প্রায় দুই সপ্তাহ পর, গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের ইরাওয়াদি উপকূলে পৌঁছানোর আগেই দুটি নৌকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে একটির পর একটি নৌকা ডুবে যায়। এখন পর্যন্ত কোনো যাত্রী জীবিত উদ্ধার হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
নৌকাগুলোর গন্তব্য নিশ্চিত না হলেও ধারণা করা হচ্ছে, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া বা থাইল্যান্ডে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যেই তারা যাত্রা করেছিলেন।
আইওএম ও ইউএনএইচসিআর জানায়, দুর্যোগপূর্ণ মৌসুমে উত্তাল বঙ্গোপসাগরে এমন যাত্রা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নভেম্বর থেকে মার্চ ছাড়া বছরের বাকি সময় সমুদ্র সাধারণত অশান্ত থাকে।
২০১৭ সালে রাখাইনে সামরিক অভিযানের পর বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। বর্তমানে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কারণে অনেকেই জীবন ঝুঁকিতে ফেলে সমুদ্রপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ৬ হাজার ৫০০ জনের বেশি রোহিঙ্গা বঙ্গোপসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন, যার মধ্যে প্রায় ৯০০ জনের মৃত্যু হয়।

আপনার মতামত লিখুন