ঢাকার কণ্ঠ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ । ০৩:২৭ মিনিট

ফোনে কথা বললেই ধরা পড়বে এআই ক্যামেরায়, বসছে ১৫০০ ক্যামেরা

ফোনে কথা বললেই ধরা পড়বে এআই ক্যামেরায়, বসছে ১৫০০ ক্যামেরা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ক্যামেরার ব্যবহার আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে এআই ক্যামেরার সুফল পাওয়ার পর এবার বিভিন্ন এলাকায় আরও ১ হাজার ৫০০টি এআই ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ক্যামেরার মাধ্যমে মামলা দেওয়ার ফলে ঢাকার সড়কে বেশ কয়েকটি ট্রাফিক অপরাধ কমেছে। এর মধ্যে রয়েছে উল্টো পথে গাড়ি চালানো, সিগন্যাল অমান্য করা, জেব্রা ক্রসিং না মানা এবং যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করা।

আগামী দিনে সিট বেল্ট না বাঁধা এবং গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলাকেও এআই ক্যামেরার মাধ্যমে শনাক্ত করে মামলা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।

বর্তমানে রাজধানীর ১৬টি স্পটে ৩৭টি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে। এসব ক্যামেরা চালুর পর উল্টো পথে গাড়ি চালানোর প্রবণতা কমেছে বলে দাবি করছে পুলিশ। তবে পথচারীদের যত্রতত্র সড়ক পারাপার এবং বাস থামিয়ে সড়ক দখল করে রাখার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে এখনও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে ট্রাফিক বিভাগকে।

এই পরিস্থিতিতে পুরো ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে ১৫০০টির বেশি এআই ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিসুর রহমান বলেন, উল্টো পথে গাড়ি চালানোকে তারা গুরুতর অপরাধ হিসেবে দেখছেন। পর্যায়ক্রমে আরও কিছু ট্রাফিক অপরাধ এআই ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। এর মধ্যে সিট বেল্ট না বাঁধা এবং গাড়ি চালানোর সময় ফোনে কথা বলার বিষয়ও যুক্ত হচ্ছে।

তবে পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতায় কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও জানিয়েছে পুলিশ। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে অনেক সময় এআই ক্যামেরা বন্ধ রাখতে হয়। আবার ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হলে সড়কে যানবাহনের গতি কমে যায়। এসব কারণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়।

আনিসুর রহমান আরও বলেন, মাঝেমধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়, বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এসব সময় ট্রাফিক সিস্টেম বন্ধ রাখতে হয়। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডিএমপি কাজ করে যাচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল দেখতে চায় না ডিএমপি। ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের বিষয়ে মহানগর পুলিশ সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিষয় : এআই মামলা এআই ক্যামেরা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ফোনে কথা বললেই ধরা পড়বে এআই ক্যামেরায়, বসছে ১৫০০ ক্যামেরা

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬

featured Image

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ক্যামেরার ব্যবহার আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে এআই ক্যামেরার সুফল পাওয়ার পর এবার বিভিন্ন এলাকায় আরও ১ হাজার ৫০০টি এআই ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ক্যামেরার মাধ্যমে মামলা দেওয়ার ফলে ঢাকার সড়কে বেশ কয়েকটি ট্রাফিক অপরাধ কমেছে। এর মধ্যে রয়েছে উল্টো পথে গাড়ি চালানো, সিগন্যাল অমান্য করা, জেব্রা ক্রসিং না মানা এবং যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করা।

আগামী দিনে সিট বেল্ট না বাঁধা এবং গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলাকেও এআই ক্যামেরার মাধ্যমে শনাক্ত করে মামলা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।

বর্তমানে রাজধানীর ১৬টি স্পটে ৩৭টি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে। এসব ক্যামেরা চালুর পর উল্টো পথে গাড়ি চালানোর প্রবণতা কমেছে বলে দাবি করছে পুলিশ। তবে পথচারীদের যত্রতত্র সড়ক পারাপার এবং বাস থামিয়ে সড়ক দখল করে রাখার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে এখনও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে ট্রাফিক বিভাগকে।

এই পরিস্থিতিতে পুরো ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে ১৫০০টির বেশি এআই ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিসুর রহমান বলেন, উল্টো পথে গাড়ি চালানোকে তারা গুরুতর অপরাধ হিসেবে দেখছেন। পর্যায়ক্রমে আরও কিছু ট্রাফিক অপরাধ এআই ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। এর মধ্যে সিট বেল্ট না বাঁধা এবং গাড়ি চালানোর সময় ফোনে কথা বলার বিষয়ও যুক্ত হচ্ছে।

তবে পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতায় কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও জানিয়েছে পুলিশ। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে অনেক সময় এআই ক্যামেরা বন্ধ রাখতে হয়। আবার ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হলে সড়কে যানবাহনের গতি কমে যায়। এসব কারণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়।

আনিসুর রহমান আরও বলেন, মাঝেমধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়, বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এসব সময় ট্রাফিক সিস্টেম বন্ধ রাখতে হয়। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডিএমপি কাজ করে যাচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল দেখতে চায় না ডিএমপি। ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের বিষয়ে মহানগর পুলিশ সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত