রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে তার পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর কে হতে পারেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি—তা নিয়ে নানা মহলে জল্পনা চলছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) একাধিক রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আবদুল মঈন খানের নাম বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে দায়িত্ব পালন করা এক জ্যেষ্ঠ আমলার নামও সম্ভাব্য তালিকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন থাকায় পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। গ্রহণযোগ্যতা, সাংবিধানিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য বিবেচনায় রেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
তবে উল্লেখ্য, সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে যেসব নাম আলোচনায় এসেছে, সেগুলো বিভিন্ন সূত্র ও রাজনৈতিক মহলের আলোচনার ভিত্তিতে। এ বিষয়ে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নাম নিশ্চিত করা হয়নি।
বিষয় : রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে তার পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর কে হতে পারেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি—তা নিয়ে নানা মহলে জল্পনা চলছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) একাধিক রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আবদুল মঈন খানের নাম বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে দায়িত্ব পালন করা এক জ্যেষ্ঠ আমলার নামও সম্ভাব্য তালিকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন থাকায় পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। গ্রহণযোগ্যতা, সাংবিধানিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য বিবেচনায় রেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
তবে উল্লেখ্য, সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে যেসব নাম আলোচনায় এসেছে, সেগুলো বিভিন্ন সূত্র ও রাজনৈতিক মহলের আলোচনার ভিত্তিতে। এ বিষয়ে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নাম নিশ্চিত করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন