এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ-সংক্রান্ত একটি খসড়া আইন ইতোমধ্যে অনুমোদন হয়েছে এবং জনমত গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
খসড়া আইনে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে বিশেষায়িত এই ইউনিটকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে বাহিনীর দায়িত্ব, অভিযান পরিচালনার ক্ষমতা, মামলা তদন্ত, সদস্যদের শৃঙ্খলা এবং নাগরিক অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য পৃথক কমিটি গঠনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, এসআরবির জন্য সরকার নির্ধারিত স্বতন্ত্র প্রতীক, পতাকা ও ইউনিফর্ম থাকবে। প্রাথমিকভাবে ইউনিটটির সদরদপ্তর ঢাকায় স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
খসড়া অনুযায়ী, এসআরবির মহাপরিচালক হবেন পুলিশ বাহিনীর একজন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজিপি)।
নতুন ইউনিটের দায়িত্বের মধ্যে থাকবে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান, সাইবার অপরাধ দমন, মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধ এবং সরকার নির্দেশিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জনমত ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মতামত নিয়ে খসড়াটি চূড়ান্ত করা হবে। এরপর মন্ত্রিসভার অনুমোদন সাপেক্ষে জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। নতুন আইন কার্যকর হলে র্যাব-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনি কাঠামোর পরিবর্তে এসআরবির আইন কার্যকর হবে।
বিষয় : র্যাব

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ-সংক্রান্ত একটি খসড়া আইন ইতোমধ্যে অনুমোদন হয়েছে এবং জনমত গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
খসড়া আইনে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে বিশেষায়িত এই ইউনিটকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে বাহিনীর দায়িত্ব, অভিযান পরিচালনার ক্ষমতা, মামলা তদন্ত, সদস্যদের শৃঙ্খলা এবং নাগরিক অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য পৃথক কমিটি গঠনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, এসআরবির জন্য সরকার নির্ধারিত স্বতন্ত্র প্রতীক, পতাকা ও ইউনিফর্ম থাকবে। প্রাথমিকভাবে ইউনিটটির সদরদপ্তর ঢাকায় স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
খসড়া অনুযায়ী, এসআরবির মহাপরিচালক হবেন পুলিশ বাহিনীর একজন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজিপি)।
নতুন ইউনিটের দায়িত্বের মধ্যে থাকবে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান, সাইবার অপরাধ দমন, মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধ এবং সরকার নির্দেশিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জনমত ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মতামত নিয়ে খসড়াটি চূড়ান্ত করা হবে। এরপর মন্ত্রিসভার অনুমোদন সাপেক্ষে জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। নতুন আইন কার্যকর হলে র্যাব-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনি কাঠামোর পরিবর্তে এসআরবির আইন কার্যকর হবে।

আপনার মতামত লিখুন