লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর পৃথক হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। শনিবারের এসব হামলায় নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। জুনে সংঘাত কমানোর সমঝোতার পর দিনটিকে অন্যতম প্রাণঘাতী দিন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাবাতিয়েহ জেলার আনসার শহরের উপকণ্ঠে একটি বাড়িতে ইসরায়েলি হামলায় সাতজন নিহত হন। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে তিন শিশু ও দুই নারী রয়েছেন। ওই বাড়িটিতে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো বসবাস করছিল।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম জানিয়েছেন, নাবাতিয়েহ জেলার আনসার শহরের উপকণ্ঠে একটি বাড়িতে ইসরায়েলি হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে তিন শিশু ও দুই নারী রয়েছেন।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরে দেইর আল জাহরানি শহরেও ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়। এতে আরও চারজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা ‘হিজবুল্লাহর সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এর আগে ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আনসারে হামলাটি চালানো হয়। সেখানে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো বসবাস করছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে হামলার পর এলাকায় ঘন ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায় এবং সাইরেনের শব্দ শোনা যায়।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহর ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এর আগে ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলার জবাব হিসেবেই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
ইসরায়েলি বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আনসারে হামলা চালানো হয়। হামলার পর এলাকায় ঘন ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি সাইরেনের শব্দ শোনা যায়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আরও জানিয়েছে, আনসারে হামলার আগে আলি আল-তাহের রিজ এলাকায় একটি ঘটনা ঘটেছিল। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই উঁচু এলাকা দক্ষিণ-পূর্ব লেবাননের বিস্তীর্ণ অংশের ওপর নজর রাখে।
এদিকে আলি আল-তাহের রিজ ও আশপাশের এলাকাতেও কয়েক দফা হামলার খবর পাওয়া গেছে। সীমান্তবর্তী বিন্ত জবেইল এলাকায় কয়েকটি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে। বিভিন্ন বাড়ি লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী ভারী মেশিনগান থেকে গুলি চালিয়েছে বলেও জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
লেবাননের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনী এখনো দেশটির প্রায় ৫ শতাংশ ভূখণ্ড দখলে রেখেছে। নতুন হামলায় জুনের পর ঘোষিত উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগ কতটা কার্যকর রয়েছে, তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বিষয় : লেবাননে ইসরায়েলি হামলা

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর পৃথক হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। শনিবারের এসব হামলায় নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। জুনে সংঘাত কমানোর সমঝোতার পর দিনটিকে অন্যতম প্রাণঘাতী দিন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাবাতিয়েহ জেলার আনসার শহরের উপকণ্ঠে একটি বাড়িতে ইসরায়েলি হামলায় সাতজন নিহত হন। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে তিন শিশু ও দুই নারী রয়েছেন। ওই বাড়িটিতে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো বসবাস করছিল।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম জানিয়েছেন, নাবাতিয়েহ জেলার আনসার শহরের উপকণ্ঠে একটি বাড়িতে ইসরায়েলি হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে তিন শিশু ও দুই নারী রয়েছেন।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরে দেইর আল জাহরানি শহরেও ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়। এতে আরও চারজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা ‘হিজবুল্লাহর সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এর আগে ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আনসারে হামলাটি চালানো হয়। সেখানে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো বসবাস করছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে হামলার পর এলাকায় ঘন ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায় এবং সাইরেনের শব্দ শোনা যায়।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহর ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এর আগে ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলার জবাব হিসেবেই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
ইসরায়েলি বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আনসারে হামলা চালানো হয়। হামলার পর এলাকায় ঘন ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি সাইরেনের শব্দ শোনা যায়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আরও জানিয়েছে, আনসারে হামলার আগে আলি আল-তাহের রিজ এলাকায় একটি ঘটনা ঘটেছিল। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই উঁচু এলাকা দক্ষিণ-পূর্ব লেবাননের বিস্তীর্ণ অংশের ওপর নজর রাখে।
এদিকে আলি আল-তাহের রিজ ও আশপাশের এলাকাতেও কয়েক দফা হামলার খবর পাওয়া গেছে। সীমান্তবর্তী বিন্ত জবেইল এলাকায় কয়েকটি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে। বিভিন্ন বাড়ি লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী ভারী মেশিনগান থেকে গুলি চালিয়েছে বলেও জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
লেবাননের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনী এখনো দেশটির প্রায় ৫ শতাংশ ভূখণ্ড দখলে রেখেছে। নতুন হামলায় জুনের পর ঘোষিত উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগ কতটা কার্যকর রয়েছে, তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন