ঢাকার কণ্ঠ

বিদ্যুতের তার ছিঁড়তেই আতঙ্ক, বিহারের মন্দিরে পদদলনে নিহত ৭

বিদ্যুতের তার ছিঁড়তেই আতঙ্ক, বিহারের মন্দিরে পদদলনে নিহত ৭

ভারতের বিহারে পবিত্র শ্রাবণ মাসের তৃতীয় সোমবার প্রার্থনা করতে গিয়ে ভয়াবহ পদদলনের ঘটনায় অন্তত ৭ জন নিহত ও ১৯ জন আহত হয়েছেন। 

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে লখিসরাই জেলার অশোক ধাম মন্দিরের বাইরে বিপুলসংখ্যক ভক্তের সমাগমের মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের বেশিরভাগই নারী বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।

স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোর থেকেই মন্দিরে হাজার হাজার ভক্তের ভিড় জমতে থাকে। এ সময় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে আতঙ্ক তৈরি হয়। ভক্তদের অনেকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে হঠাৎ হুড়োহুড়ি শুরু হয়। অতিরিক্ত চাপের মধ্যে ব্যারিকেড ভেঙে পড়ে এবং কয়েকজন মাটিতে পড়ে গেলে তাদের ওপর দিয়ে অন্যরা চলে যান।

তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ কেউ জানিয়েছেন, শুধু বিদ্যুতের তারের ঘটনাই নয়, ভিড় নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থার ঘাটতিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। জেলা প্রশাসন ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।

আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এদিকে একই দিনে ভারতের পূর্বাঞ্চলের আরেক রাজ্য পশ্চিমবঙ্গেও তীর্থযাত্রীদের জন্য দিনটি মর্মান্তিক হয়ে উঠেছে। বীরভূম জেলার তারাপীঠে একটি হোটেলে ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৭ জনের মৃত্যু এবং বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। হোটেলটির অধিকাংশ অতিথি তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক ত্রুটিকে আগুনের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দুটি ঘটনাতেই নিহতদের মধ্যে তীর্থযাত্রী ছিলেন। একই দিনে ধর্মীয় স্থানে এমন দুটি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ভারতের ধর্মীয় উৎসবকেন্দ্রিক বড় জমায়েতগুলোতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

বিষয় : বিহার

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিদ্যুতের তার ছিঁড়তেই আতঙ্ক, বিহারের মন্দিরে পদদলনে নিহত ৭

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভারতের বিহারে পবিত্র শ্রাবণ মাসের তৃতীয় সোমবার প্রার্থনা করতে গিয়ে ভয়াবহ পদদলনের ঘটনায় অন্তত ৭ জন নিহত ও ১৯ জন আহত হয়েছেন। 

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে লখিসরাই জেলার অশোক ধাম মন্দিরের বাইরে বিপুলসংখ্যক ভক্তের সমাগমের মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের বেশিরভাগই নারী বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।

স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোর থেকেই মন্দিরে হাজার হাজার ভক্তের ভিড় জমতে থাকে। এ সময় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে আতঙ্ক তৈরি হয়। ভক্তদের অনেকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে হঠাৎ হুড়োহুড়ি শুরু হয়। অতিরিক্ত চাপের মধ্যে ব্যারিকেড ভেঙে পড়ে এবং কয়েকজন মাটিতে পড়ে গেলে তাদের ওপর দিয়ে অন্যরা চলে যান।

তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ কেউ জানিয়েছেন, শুধু বিদ্যুতের তারের ঘটনাই নয়, ভিড় নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থার ঘাটতিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। জেলা প্রশাসন ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।

আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এদিকে একই দিনে ভারতের পূর্বাঞ্চলের আরেক রাজ্য পশ্চিমবঙ্গেও তীর্থযাত্রীদের জন্য দিনটি মর্মান্তিক হয়ে উঠেছে। বীরভূম জেলার তারাপীঠে একটি হোটেলে ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৭ জনের মৃত্যু এবং বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। হোটেলটির অধিকাংশ অতিথি তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক ত্রুটিকে আগুনের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দুটি ঘটনাতেই নিহতদের মধ্যে তীর্থযাত্রী ছিলেন। একই দিনে ধর্মীয় স্থানে এমন দুটি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ভারতের ধর্মীয় উৎসবকেন্দ্রিক বড় জমায়েতগুলোতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত