দেশের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সেপ্টেম্বর মাসে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪১তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। প্রস্তাবটি পর্যালোচনার পর তা অনুমোদন করে কমিটি।
অনুমোদন অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার পোসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন থেকে ১৩-১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এক কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে (এমএমবিটিইউ) ২৪ দশমিক ৬২৫ মার্কিন ডলার।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড থেকে ২৩-২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এটির দাম পড়বে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪ দশমিক ২৫ ডলার।
দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে গ্যাসের চাহিদা পূরণে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা রয়েছে। চলতি আগস্ট মাসেও সরকার একাধিক কার্গো এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বাসসের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে মোট ৯ কার্গো এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।
এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাস সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সরকার আরও এলএনজি আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। গত ১৭ আগস্টও দুটি কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার মোট ব্যয় ছিল প্রায় ১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা।
সোমবারের সভায় এলএনজি ক্রয়ের এই প্রস্তাবসহ মোট ১৩টি ক্রয়প্রস্তাব উপস্থাপন ও আলোচনা করা হয়।দেশের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সেপ্টেম্বর মাসে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। প্রস্তাবটি পর্যালোচনার পর তা অনুমোদন করে কমিটি।
অনুমোদন অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার পোসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন থেকে ১৩-১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এক কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে (এমএমবিটিইউ) ২৪ দশমিক ৬২৫ মার্কিন ডলার।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড থেকে ২৩-২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এটির দাম পড়বে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪ দশমিক ২৫ ডলার।
দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে গ্যাসের চাহিদা পূরণে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা রয়েছে। চলতি আগস্ট মাসেও সরকার একাধিক কার্গো এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বাসসের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে মোট ৯ কার্গো এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।
এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাস সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সরকার আরও এলএনজি আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। গত ১৭ আগস্টও দুটি কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার মোট ব্যয় ছিল প্রায় ১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা।
সোমবারের সভায় এলএনজি ক্রয়ের এই প্রস্তাবসহ মোট ১৩টি ক্রয়প্রস্তাব উপস্থাপন ও আলোচনা করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
দেশের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সেপ্টেম্বর মাসে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪১তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। প্রস্তাবটি পর্যালোচনার পর তা অনুমোদন করে কমিটি।
অনুমোদন অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার পোসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন থেকে ১৩-১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এক কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে (এমএমবিটিইউ) ২৪ দশমিক ৬২৫ মার্কিন ডলার।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড থেকে ২৩-২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এটির দাম পড়বে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪ দশমিক ২৫ ডলার।
দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে গ্যাসের চাহিদা পূরণে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা রয়েছে। চলতি আগস্ট মাসেও সরকার একাধিক কার্গো এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বাসসের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে মোট ৯ কার্গো এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।
এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাস সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সরকার আরও এলএনজি আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। গত ১৭ আগস্টও দুটি কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার মোট ব্যয় ছিল প্রায় ১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা।
সোমবারের সভায় এলএনজি ক্রয়ের এই প্রস্তাবসহ মোট ১৩টি ক্রয়প্রস্তাব উপস্থাপন ও আলোচনা করা হয়।দেশের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সেপ্টেম্বর মাসে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। প্রস্তাবটি পর্যালোচনার পর তা অনুমোদন করে কমিটি।
অনুমোদন অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার পোসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন থেকে ১৩-১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এক কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে (এমএমবিটিইউ) ২৪ দশমিক ৬২৫ মার্কিন ডলার।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড থেকে ২৩-২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এটির দাম পড়বে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪ দশমিক ২৫ ডলার।
দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে গ্যাসের চাহিদা পূরণে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা রয়েছে। চলতি আগস্ট মাসেও সরকার একাধিক কার্গো এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বাসসের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে মোট ৯ কার্গো এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।
এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাস সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সরকার আরও এলএনজি আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। গত ১৭ আগস্টও দুটি কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার মোট ব্যয় ছিল প্রায় ১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা।
সোমবারের সভায় এলএনজি ক্রয়ের এই প্রস্তাবসহ মোট ১৩টি ক্রয়প্রস্তাব উপস্থাপন ও আলোচনা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন