দেশের আমদানি ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯ জারি করেছে সরকার।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে।
নতুন নীতির অন্যতম বড় পরিবর্তন হলো এলসির পাশাপাশি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ। আগের নীতিতে এলসি ছাড়া আমদানির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা থাকলেও নতুন আদেশে সেই কাঠামো আরও সহজ করা হয়েছে।
এ ছাড়া সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০২১–২০২৪ সালের নীতিতে ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেল সরাসরি আমদানিতে বিধিনিষেধ ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলের আমদানির পথ খুলেছে।
নতুন নীতিতে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানির সুযোগ সম্প্রসারণ এবং শিল্পে বিনিয়োগকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনুমোদিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য মূলধনি যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল আমদানির সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টিও নতুন নীতিতে গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রচলিত আধুনিক অর্থ পরিশোধ পদ্ধতির ব্যবহারের সুযোগ রাখার কথা বলা হয়েছে।
নতুন আমদানি নীতির খসড়া চূড়ান্ত করার আগে সরকার উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটিও গঠন করেছিল। জুনে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সব মিলিয়ে নতুন নীতিতে আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি ব্যবসা সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ সহজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিষয় : আমদানি নীতি জারি

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
দেশের আমদানি ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯ জারি করেছে সরকার।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে।
নতুন নীতির অন্যতম বড় পরিবর্তন হলো এলসির পাশাপাশি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ। আগের নীতিতে এলসি ছাড়া আমদানির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা থাকলেও নতুন আদেশে সেই কাঠামো আরও সহজ করা হয়েছে।
এ ছাড়া সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০২১–২০২৪ সালের নীতিতে ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেল সরাসরি আমদানিতে বিধিনিষেধ ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলের আমদানির পথ খুলেছে।
নতুন নীতিতে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানির সুযোগ সম্প্রসারণ এবং শিল্পে বিনিয়োগকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনুমোদিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য মূলধনি যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল আমদানির সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টিও নতুন নীতিতে গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রচলিত আধুনিক অর্থ পরিশোধ পদ্ধতির ব্যবহারের সুযোগ রাখার কথা বলা হয়েছে।
নতুন আমদানি নীতির খসড়া চূড়ান্ত করার আগে সরকার উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটিও গঠন করেছিল। জুনে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সব মিলিয়ে নতুন নীতিতে আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি ব্যবসা সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ সহজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন