ভারতের মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় কথিত ‘ভেজাল মদ’ পান করে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী মদ পান করার পর অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে। খবর ইন্ডিয়া টুডের
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ঘুঘর, নওরাজ, বারাজসহ আশপাশের এলাকার কয়েকজন শনিবার রাতে মদ পান করেন। এরপরই তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
বিষাক্ত বা ভেজাল মদ পানকেই মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে এখনো মদে বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্যু হয়েছে—এমন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি কর্তৃপক্ষ। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার তদন্তে পুলিশ আক্রান্ত পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে। নিহতরা যে মদ পান করেছিলেন, সেটিও পরীক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে মদগুলো কোথা থেকে এসেছে, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় অবৈধভাবে তৈরি বা ভেজাল মদ সরবরাহের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না এবং এর পেছনে কোনো অবৈধ মদ চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পরিস্থিতি পুরোপুরি মূল্যায়ন না হওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছে প্রশাসন।
এ ঘটনায় মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব জানিয়েছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই সরকার মেনে নেবে না বলেও জানান তিনি।
বিষয় : ভেজাল মদ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় কথিত ‘ভেজাল মদ’ পান করে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী মদ পান করার পর অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে। খবর ইন্ডিয়া টুডের
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ঘুঘর, নওরাজ, বারাজসহ আশপাশের এলাকার কয়েকজন শনিবার রাতে মদ পান করেন। এরপরই তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
বিষাক্ত বা ভেজাল মদ পানকেই মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে এখনো মদে বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্যু হয়েছে—এমন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি কর্তৃপক্ষ। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার তদন্তে পুলিশ আক্রান্ত পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে। নিহতরা যে মদ পান করেছিলেন, সেটিও পরীক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে মদগুলো কোথা থেকে এসেছে, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় অবৈধভাবে তৈরি বা ভেজাল মদ সরবরাহের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না এবং এর পেছনে কোনো অবৈধ মদ চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পরিস্থিতি পুরোপুরি মূল্যায়ন না হওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছে প্রশাসন।
এ ঘটনায় মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব জানিয়েছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই সরকার মেনে নেবে না বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন