ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬। ০৪:৪২ মিনিট

রাষ্ট্রপতি হওয়া মিয়ে যা বললেন মির্জা ফখরুল!

রাষ্ট্রপতি হওয়া মিয়ে যা বললেন মির্জা ফখরুল!

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চলতি বছরেই দলীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যেই দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কাউন্সিলের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত না হলেও এ বছরই তা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে তৃণমূল পর্যায়ে সম্মেলন সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি হওয়ার কোনো আকাঙ্ক্ষা আছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এ ধরনের প্রত্যাশা আমার কখনই ছিল না। আমি এ পর্যন্ত যেখানে এসেছি, সেটা আমার ভাগ্য নিয়ে এসেছে। আমার কাজটা ছিল, কিন্তু আমার আকাঙ্ক্ষা এখানে নিয়ে এসেছে বলে মনে করি না।’

আসন্ন কাউন্সিলের পর রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথাও জানান তিনি। বলেন, ‘আমি খুবই ক্লান্ত। আগামী কাউন্সিল পর্যন্ত থাকতে হচ্ছে। কাউন্সিলের পর অবসর নিতে চাই। আমার অনেক বয়স হয়ে গেছে। অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি।’

দলটির সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় প্রায় এক দশক আগে। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে নতুন কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব হয়নি বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। সাম্প্রতিক নির্বাচন শেষে বিষয়টি আবার গুরুত্ব পেয়েছে এবং স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে ২০১১ সাল থেকে পাঁচ বছর তিনি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ছিলেন। ২০০৯ সালে দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।

ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

পেশাজীবনে তিনি শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরে সরকারি বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৯০-এর দশকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন এবং ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।

বিষয় : মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাষ্ট্রপতি হওয়া মিয়ে যা বললেন মির্জা ফখরুল!

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চলতি বছরেই দলীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যেই দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কাউন্সিলের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত না হলেও এ বছরই তা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে তৃণমূল পর্যায়ে সম্মেলন সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি হওয়ার কোনো আকাঙ্ক্ষা আছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এ ধরনের প্রত্যাশা আমার কখনই ছিল না। আমি এ পর্যন্ত যেখানে এসেছি, সেটা আমার ভাগ্য নিয়ে এসেছে। আমার কাজটা ছিল, কিন্তু আমার আকাঙ্ক্ষা এখানে নিয়ে এসেছে বলে মনে করি না।’

আসন্ন কাউন্সিলের পর রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথাও জানান তিনি। বলেন, ‘আমি খুবই ক্লান্ত। আগামী কাউন্সিল পর্যন্ত থাকতে হচ্ছে। কাউন্সিলের পর অবসর নিতে চাই। আমার অনেক বয়স হয়ে গেছে। অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি।’

দলটির সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় প্রায় এক দশক আগে। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে নতুন কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব হয়নি বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। সাম্প্রতিক নির্বাচন শেষে বিষয়টি আবার গুরুত্ব পেয়েছে এবং স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে ২০১১ সাল থেকে পাঁচ বছর তিনি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ছিলেন। ২০০৯ সালে দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।

ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

পেশাজীবনে তিনি শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরে সরকারি বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৯০-এর দশকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন এবং ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত