ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : সোমবার, ১১ মে ২০২৬। ০৭:৫৬ মিনিট

পরকীয়া প্রেমিককে হত্যা: আসামি শাহাদাতের যাবজ্জীবন

পরকীয়া প্রেমিককে হত্যা: আসামি শাহাদাতের যাবজ্জীবন
ছবি: ঢাকার কণ্ঠ

রাজধানীর তেজগাঁও থানাধীন এলাকায় স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিককে হত্যার দায়ে মো. শাহাদাৎ হোসেন নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার আসামির উপস্থিতিতে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ -৯ এর বিচারক মাহ্ মুদুল ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি আসামিকে দশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রমে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সরকার এতথ্য নিশ্চিত করেন। 

মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আসামির স্ত্রী সাথে ভিকটিম আনিসের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এই বিষয়টি আসামি বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরে ভিকটিম আসনিকে নিষেধ করেন। কিন্তু ভিকটিম আনিস আসামির কথা না শুনে তার স্ত্রীর সঙ্গে আবারও দেখা করতে থাকেন। এতে ক্ষু্দ্ধ হয়ে ২০১২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে ঢাকার তেজগাঁও থানাধীন আনোয়ারা পার্কের দক্ষিন পার্শ্বে মা মেডিকেল ষ্টোরের বিপরীত দিকে ফুটপাতে ভিকটিমকে ছরিকাঘাত করে হত্যা করে ফেলে রাখেন। ওই ঘটনায় তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক মো. মাসদুল ইসলাম অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন। 

২০১৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি মামলাটি তদন্ত করে রাজধানীর তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক কাজী সাহান হক আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ২৭ মে আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটি বিচারকালে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। 

বিষয় : পরকীয়া প্রেমিক

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পরকীয়া প্রেমিককে হত্যা: আসামি শাহাদাতের যাবজ্জীবন

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর তেজগাঁও থানাধীন এলাকায় স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিককে হত্যার দায়ে মো. শাহাদাৎ হোসেন নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার আসামির উপস্থিতিতে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ -৯ এর বিচারক মাহ্ মুদুল ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি আসামিকে দশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রমে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সরকার এতথ্য নিশ্চিত করেন। 

মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আসামির স্ত্রী সাথে ভিকটিম আনিসের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এই বিষয়টি আসামি বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরে ভিকটিম আসনিকে নিষেধ করেন। কিন্তু ভিকটিম আনিস আসামির কথা না শুনে তার স্ত্রীর সঙ্গে আবারও দেখা করতে থাকেন। এতে ক্ষু্দ্ধ হয়ে ২০১২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে ঢাকার তেজগাঁও থানাধীন আনোয়ারা পার্কের দক্ষিন পার্শ্বে মা মেডিকেল ষ্টোরের বিপরীত দিকে ফুটপাতে ভিকটিমকে ছরিকাঘাত করে হত্যা করে ফেলে রাখেন। ওই ঘটনায় তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক মো. মাসদুল ইসলাম অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন। 

২০১৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি মামলাটি তদন্ত করে রাজধানীর তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক কাজী সাহান হক আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ২৭ মে আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটি বিচারকালে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। 


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত