মাত্র গুটিকয়েক মানুষের স্বার্থে পুরো মিরপুরবাসীকে জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে ফেলার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, খালের জায়গায় নির্মিত অবৈধ স্থাপনা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে না সরালে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কঠোরভাবে উচ্ছেদ করা হবে।
বুধবার (১৩ মে) রাজধানীর কালশিতে সাংবাদিক কলোনী খালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কালশি এলাকার জলাবদ্ধতা কমাতে আপাতত আগামী এক সপ্তাহ খালটি নিবিড়ভাবে পরিষ্কার করা হবে। এতে এলাকাবাসী সাময়িকভাবে জলজট থেকে মুক্তি পাবেন। তবে দীর্ঘমেয়াদী সুফলের জন্য সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক সমিতি ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনার কারণে খালটি ভরাট হয়ে আছে জানিয়ে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, খাল উদ্ধারের কোনো বিকল্প নেই। যারা অবৈধভাবে খালের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন, তাদের কোনোভাবেই পুনর্বাসনের সুযোগ নেই। সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই নিতে হবে।” তবে তিনি বলেন, মানবিক কারণে কেউ সময় চাইলে আলোচনার ভিত্তিতে তা বিবেচনা করা হতে পারে। নাগরিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান। খাল বা ড্রেনকে ময়লা ফেলার ভাগাড় হিসেবে ব্যবহার না করতে বাসিন্দাদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে প্রশাসক বলেন, ড্রেন বা খাল ময়লা ফেলার জায়গা নয়। যারা আশেপাশে বসবাস করেন, তাদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সবাই সচেতন না হলে শুধু সিটি কর্পোরেশনের পরিষ্কার অভিযানে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
এসময় পরিদর্শনকালে ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
মাত্র গুটিকয়েক মানুষের স্বার্থে পুরো মিরপুরবাসীকে জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে ফেলার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, খালের জায়গায় নির্মিত অবৈধ স্থাপনা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে না সরালে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কঠোরভাবে উচ্ছেদ করা হবে।
বুধবার (১৩ মে) রাজধানীর কালশিতে সাংবাদিক কলোনী খালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কালশি এলাকার জলাবদ্ধতা কমাতে আপাতত আগামী এক সপ্তাহ খালটি নিবিড়ভাবে পরিষ্কার করা হবে। এতে এলাকাবাসী সাময়িকভাবে জলজট থেকে মুক্তি পাবেন। তবে দীর্ঘমেয়াদী সুফলের জন্য সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক সমিতি ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনার কারণে খালটি ভরাট হয়ে আছে জানিয়ে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, খাল উদ্ধারের কোনো বিকল্প নেই। যারা অবৈধভাবে খালের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন, তাদের কোনোভাবেই পুনর্বাসনের সুযোগ নেই। সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই নিতে হবে।” তবে তিনি বলেন, মানবিক কারণে কেউ সময় চাইলে আলোচনার ভিত্তিতে তা বিবেচনা করা হতে পারে। নাগরিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান। খাল বা ড্রেনকে ময়লা ফেলার ভাগাড় হিসেবে ব্যবহার না করতে বাসিন্দাদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে প্রশাসক বলেন, ড্রেন বা খাল ময়লা ফেলার জায়গা নয়। যারা আশেপাশে বসবাস করেন, তাদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সবাই সচেতন না হলে শুধু সিটি কর্পোরেশনের পরিষ্কার অভিযানে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
এসময় পরিদর্শনকালে ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন