আসন্ন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে জাল টাকা ছাপানোর সদস্যরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। তবে এবার তিনটি মেশিনে অনর্গল টাকা ছাপাতে ছাপাখানার এক কর্মীকেও নিয়োগ দিয়েছিল তারা। পশুরহাটগুলোতে বাজারজাত করতে এরই মধ্যে মজুদ করেছিল ৩৪ লাখ জাল টাকা।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবির উত্তরা বিভাগ। তারা হলেন- শরীয়তপুরের মো. মজিবুর রহমান (৩৮), পটুয়াখালীর মো. দুলাল মৃধা (৪০) ও নেত্রকোনার মো. মামুনকে (২৫)।
গত বুধবার রাজধানীর উত্তরাপূর্ব থানাধীন সমবায় বাজার (বিডিআর) মার্কেটের সামনে এবং গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ জাল টাকাসহ জাল টাকা তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযানকালে উত্তরাপূর্ব থানার সমবায় বাজার এলাকায় জাল টাকা কেনাবেচার সময় মজিবুর রহমানকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ লাখ টাকার জাল নোট এবং জাল টাকা বিক্রির ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মজিবুরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুলাল মৃধা ও মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৩৪ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া জাল টাকা তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, তিনটি কালার প্রিন্টার, সোনালী রঙের ফয়েল পেপার, সিকিউরিটি ট্যাগ ও জলছাপযুক্ত কাগজ, আংশিক প্রিন্ট করা এক হাজার টাকার নোট, তরল গাম, কাটার এবং জলছাপ বসানোর ডাইস উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকা তৈরি করে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে পশুর হাট ও বিপণিবিতানে জাল টাকা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল তাদের। এ ঘটনায় উত্তরাপূর্ব থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
আসন্ন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে জাল টাকা ছাপানোর সদস্যরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। তবে এবার তিনটি মেশিনে অনর্গল টাকা ছাপাতে ছাপাখানার এক কর্মীকেও নিয়োগ দিয়েছিল তারা। পশুরহাটগুলোতে বাজারজাত করতে এরই মধ্যে মজুদ করেছিল ৩৪ লাখ জাল টাকা।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবির উত্তরা বিভাগ। তারা হলেন- শরীয়তপুরের মো. মজিবুর রহমান (৩৮), পটুয়াখালীর মো. দুলাল মৃধা (৪০) ও নেত্রকোনার মো. মামুনকে (২৫)।
গত বুধবার রাজধানীর উত্তরাপূর্ব থানাধীন সমবায় বাজার (বিডিআর) মার্কেটের সামনে এবং গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ জাল টাকাসহ জাল টাকা তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযানকালে উত্তরাপূর্ব থানার সমবায় বাজার এলাকায় জাল টাকা কেনাবেচার সময় মজিবুর রহমানকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ লাখ টাকার জাল নোট এবং জাল টাকা বিক্রির ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মজিবুরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুলাল মৃধা ও মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৩৪ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া জাল টাকা তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, তিনটি কালার প্রিন্টার, সোনালী রঙের ফয়েল পেপার, সিকিউরিটি ট্যাগ ও জলছাপযুক্ত কাগজ, আংশিক প্রিন্ট করা এক হাজার টাকার নোট, তরল গাম, কাটার এবং জলছাপ বসানোর ডাইস উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকা তৈরি করে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে পশুর হাট ও বিপণিবিতানে জাল টাকা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল তাদের। এ ঘটনায় উত্তরাপূর্ব থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন