ঢাকার পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ পড়ে শোনানোর সময় আসামি সোহেল রানা আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমার স্ত্রীর কোন দোষ নেই। এসময় স্বপ্না সোহেল রানাকে বলেন, বলো, বলো আমার কোন দোষ ছিল? কিন্তু আদালত তাদের কথা আমলে না নিয়ে চার্জ পড়ে শোনান। এসময় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর তারা ঘটনার বিষয়ে দোষী না নির্দোষ জানতে চাইলে তারা আদালতে নির্দোষ দাবী করেন।
সোমবার (১ জুন) সকালে শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২ জুন নির্ধারণ করেন আদালত।
সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে কারাগারে থেকে তাদের আদালতে আনা হয়। এরপর তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। এরপর সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে তাদের এজলাসে নেওয়া হয়। ১৫ মিনিট পরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন গঠন করা হয়।
বিষয় : রামিসা হত্যাকাণ্ড

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
ঢাকার পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ পড়ে শোনানোর সময় আসামি সোহেল রানা আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমার স্ত্রীর কোন দোষ নেই। এসময় স্বপ্না সোহেল রানাকে বলেন, বলো, বলো আমার কোন দোষ ছিল? কিন্তু আদালত তাদের কথা আমলে না নিয়ে চার্জ পড়ে শোনান। এসময় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর তারা ঘটনার বিষয়ে দোষী না নির্দোষ জানতে চাইলে তারা আদালতে নির্দোষ দাবী করেন।
সোমবার (১ জুন) সকালে শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২ জুন নির্ধারণ করেন আদালত।
সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে কারাগারে থেকে তাদের আদালতে আনা হয়। এরপর তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। এরপর সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে তাদের এজলাসে নেওয়া হয়। ১৫ মিনিট পরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন গঠন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন