চট্টগ্রামে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাইম হাসানকে সাদা পোশাকে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নগরীর খুলশী থানায় নেওয়ার অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনার পুলিশের এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিনজনকে নগরের খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের একটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাইম দাবি করেন, বিমানবন্দর থেকে বাসায় ফেরার পথে তাকে জোর করে একটি গাড়িতে তোলা হয় এবং পরে থানায় নেওয়া হয়।
নাইম বলেন, প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষে তিনি বিমানে চট্টগ্রাম ফিরছিলেন। ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ায় রাত হয়ে যায়। বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় ফেরার সময় কয়েকজন ব্যক্তি তার গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে তারা তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তোলেন এবং থানায় নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ফোন ব্যবহারের সুযোগ পাওয়ার পর প্রথমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবালকে বিষয়টি জানান। পরে তামিম সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে কথা বলেন।
জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটার হিসেবে এমন ঘটনার শিকার হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে নাইম বলেন, আমার সঙ্গে যদি এমন ঘটনা ঘটতে পারে, তাহলে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে কী হতে পারে—সেটা ভেবেই খারাপ লাগছে।
এ বিষয়ে নগর পুলিশের উত্তর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, “ভুক্তভোগী অবশ্যই ন্যায়বিচার পাবেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ সদস্য হলেও তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। তদন্তে যে-ই দায়ী প্রমাণিত হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চোরাচালান-সংক্রান্ত একটি তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা সেখানে গিয়েছিলেন। তবে তথ্যটির সত্যতা এবং অভিযানে যাওয়ার ক্ষেত্রে তারা নির্ধারিত পুলিশি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছিলেন কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাইম হাসানকে সাদা পোশাকে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নগরীর খুলশী থানায় নেওয়ার অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনার পুলিশের এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিনজনকে নগরের খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের একটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাইম দাবি করেন, বিমানবন্দর থেকে বাসায় ফেরার পথে তাকে জোর করে একটি গাড়িতে তোলা হয় এবং পরে থানায় নেওয়া হয়।
নাইম বলেন, প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষে তিনি বিমানে চট্টগ্রাম ফিরছিলেন। ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ায় রাত হয়ে যায়। বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় ফেরার সময় কয়েকজন ব্যক্তি তার গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে তারা তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তোলেন এবং থানায় নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ফোন ব্যবহারের সুযোগ পাওয়ার পর প্রথমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবালকে বিষয়টি জানান। পরে তামিম সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে কথা বলেন।
জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটার হিসেবে এমন ঘটনার শিকার হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে নাইম বলেন, আমার সঙ্গে যদি এমন ঘটনা ঘটতে পারে, তাহলে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে কী হতে পারে—সেটা ভেবেই খারাপ লাগছে।
এ বিষয়ে নগর পুলিশের উত্তর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, “ভুক্তভোগী অবশ্যই ন্যায়বিচার পাবেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ সদস্য হলেও তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। তদন্তে যে-ই দায়ী প্রমাণিত হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চোরাচালান-সংক্রান্ত একটি তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা সেখানে গিয়েছিলেন। তবে তথ্যটির সত্যতা এবং অভিযানে যাওয়ার ক্ষেত্রে তারা নির্ধারিত পুলিশি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছিলেন কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন