চাঁদাবাজির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খায়রুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সজীব নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহায়তায় হেফাজতে নেওয়া হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পুত্র খায়রুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কার্যালয়ে আনে নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশ। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, সজীবের বিরুদ্ধে কিছু লোকজন আমাদের কাছে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তাকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি। অভিযোগের বিষয়ে প্রমাণ পাওয়া গেলে ভুক্তভোগীরা মামলা করবে। তবে সত্যতা না মিললে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।
বিষয় : ডিবি হেফাজতে এমপি

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
চাঁদাবাজির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খায়রুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সজীব নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহায়তায় হেফাজতে নেওয়া হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পুত্র খায়রুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কার্যালয়ে আনে নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশ। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, সজীবের বিরুদ্ধে কিছু লোকজন আমাদের কাছে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তাকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি। অভিযোগের বিষয়ে প্রমাণ পাওয়া গেলে ভুক্তভোগীরা মামলা করবে। তবে সত্যতা না মিললে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন