ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : সোমবার, ২২ জুন ২০২৬। ০৩:৪৬ মিনিট

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের দুইদিন পর শিশু শিক্ষার্থী লাশ উদ্ধার

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের দুইদিন পর শিশু শিক্ষার্থী লাশ উদ্ধার

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর সেঁজুতি (৮) নামের এক শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সেঁজুতি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। সে সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

জানা গেছে, শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়।তার পর থেকে তাকে  বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় এদিন রাতেই শিশুটির বাবা ফালু চন্দ্র সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

রোববার রাতে শিশুটির পরিবারের কাছে একটি ফোন কল আসে,যেখানে সেঁজুতিকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলে জানিয়েছেন তার পরিবার। সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ পুকুরে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। খবর পেয়ে সখিপুর থানা পুলিশ পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

নিহত সেঁজুতির বাবা ফালু চন্দ্র মালু বলছেন,আমার ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান,নিখোঁজের দুই দিন পর উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে সেঁজুতির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

বিষয় : টাঙ্গাইল শিশু শিক্ষার্থী লাশ উদ্ধার

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


টাঙ্গাইলে নিখোঁজের দুইদিন পর শিশু শিক্ষার্থী লাশ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর সেঁজুতি (৮) নামের এক শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সেঁজুতি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। সে সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

জানা গেছে, শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়।তার পর থেকে তাকে  বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় এদিন রাতেই শিশুটির বাবা ফালু চন্দ্র সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

রোববার রাতে শিশুটির পরিবারের কাছে একটি ফোন কল আসে,যেখানে সেঁজুতিকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলে জানিয়েছেন তার পরিবার। সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ পুকুরে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। খবর পেয়ে সখিপুর থানা পুলিশ পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

নিহত সেঁজুতির বাবা ফালু চন্দ্র মালু বলছেন,আমার ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান,নিখোঁজের দুই দিন পর উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে সেঁজুতির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত