ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : সোমবার, ২২ জুন ২০২৬। ০৫:০৪ মিনিট

শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
ছবিঃ সংগ্রহীত

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ৪ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় একমাত্র আসামি আবু তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২২ জুন) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে জেলা ও দায়রা জজ ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহুজ্জামান জনাকীর্ণ আদালতে এই আলোচিত রায় ঘোষণা করেন।

একইসাথে আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপুরণ এবং লাশ গুমের অপরাধে সাত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

দণ্ডিত আবু তাহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহি গ্রামের রফিউদ্দিনের ছেলে।

তিনি বাদুরগাছা গ্রামে ওই শিশুর বাড়ির পাশে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাদুরগাছা গ্রামের পাঁচ বছরের শিশু তাবাচ্ছুম বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়।

পরদিন সকালে পার্শ্ববর্তী একটি বিদ্যালয়ের সেফটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় শিশুটির পিতা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ওইদিনই অজ্ঞাতদের আসামি করে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

২৭ ফেব্রুয়ারি পুলিশ আবু তাহেরকে কুষ্টিয়া থেকে গ্রেপ্তার করে।  

এরপর আবু তাহের হত্যার দ্বায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। তদন্ত শেষে পুলিশ ২৬ মে আবু তাহেরকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। 

মাত্র ৫ কার্যদিবসে  ১৭ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ঘটনার চার মাসের মধ্যে মামলার রায় প্রদাণ করেন আদালত। 

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে বিচার কাজ শেষ হয়েছে। আদালত আসামির সর্বোচ্চ রায় ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট। আমরা চাই এই রায় দ্রুত কার্যকর হোক। 

বিষয় : আসামির মৃত্যুদণ্ড শিশু ধর্ষণ ও হত্যা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ৪ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় একমাত্র আসামি আবু তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২২ জুন) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে জেলা ও দায়রা জজ ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহুজ্জামান জনাকীর্ণ আদালতে এই আলোচিত রায় ঘোষণা করেন।

একইসাথে আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপুরণ এবং লাশ গুমের অপরাধে সাত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

দণ্ডিত আবু তাহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহি গ্রামের রফিউদ্দিনের ছেলে।

তিনি বাদুরগাছা গ্রামে ওই শিশুর বাড়ির পাশে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাদুরগাছা গ্রামের পাঁচ বছরের শিশু তাবাচ্ছুম বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়।

পরদিন সকালে পার্শ্ববর্তী একটি বিদ্যালয়ের সেফটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় শিশুটির পিতা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ওইদিনই অজ্ঞাতদের আসামি করে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

২৭ ফেব্রুয়ারি পুলিশ আবু তাহেরকে কুষ্টিয়া থেকে গ্রেপ্তার করে।  

এরপর আবু তাহের হত্যার দ্বায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। তদন্ত শেষে পুলিশ ২৬ মে আবু তাহেরকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। 

মাত্র ৫ কার্যদিবসে  ১৭ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ঘটনার চার মাসের মধ্যে মামলার রায় প্রদাণ করেন আদালত। 

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে বিচার কাজ শেষ হয়েছে। আদালত আসামির সর্বোচ্চ রায় ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট। আমরা চাই এই রায় দ্রুত কার্যকর হোক। 


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত