বিদেশে উচ্চশিক্ষা, স্কুলিং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের প্রলোভন দেখিয়ে শত শত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের কাছ থেকে অন্তত ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ভিসা কনসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠান জাস্ট থট এডুকেশন-এর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার হারুন অর রশিদ ওরফে মতিউর রহমান ভুয়া অফার লেটার, নিশ্চিত ভিসার আশ্বাস এবং আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অন্তত ৬ শতাধিক মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলেন। পরে প্রতিষ্ঠানটি রাজধানীর বাড্ডা, গুলশান ও বনানীসহ সব অফিস বন্ধ করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ৯১ শিক্ষার্থীর ৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মতিউর রহমানসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। আদালতে তোলার সময় ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা আসামিদের ওপর হামলার চেষ্টা করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, ভিসা প্রসেসিং, টিউশন ফি, বায়োমেট্রিক, মেডিকেল ও অন্যান্য খরচের নামে ধাপে ধাপে কয়েক লাখ থেকে ২০-৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভিসা বা ভর্তি নিশ্চিত করা হয়নি। অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন, কেউ কেউ ভিটেমাটি বিক্রি করেও টাকা ফেরত পাননি।
বিষয় : ভিসা ৪ জন রিমান্ডে

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
বিদেশে উচ্চশিক্ষা, স্কুলিং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের প্রলোভন দেখিয়ে শত শত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের কাছ থেকে অন্তত ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ভিসা কনসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠান জাস্ট থট এডুকেশন-এর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার হারুন অর রশিদ ওরফে মতিউর রহমান ভুয়া অফার লেটার, নিশ্চিত ভিসার আশ্বাস এবং আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অন্তত ৬ শতাধিক মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলেন। পরে প্রতিষ্ঠানটি রাজধানীর বাড্ডা, গুলশান ও বনানীসহ সব অফিস বন্ধ করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ৯১ শিক্ষার্থীর ৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মতিউর রহমানসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। আদালতে তোলার সময় ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা আসামিদের ওপর হামলার চেষ্টা করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, ভিসা প্রসেসিং, টিউশন ফি, বায়োমেট্রিক, মেডিকেল ও অন্যান্য খরচের নামে ধাপে ধাপে কয়েক লাখ থেকে ২০-৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভিসা বা ভর্তি নিশ্চিত করা হয়নি। অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন, কেউ কেউ ভিটেমাটি বিক্রি করেও টাকা ফেরত পাননি।

আপনার মতামত লিখুন